বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুর দরজায় ধর্না কুনাল-শোভনদেবের - 24 Ghanta Bangla News
Home

বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুর দরজায় ধর্না কুনাল-শোভনদেবের

Spread the love

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় নতুন সরকার গঠনের পর প্রথম অধিবেশনের আগেই তৃণমূল কংগ্রেসের বড় নেতারা (Kunal Ghosh)বিতর্কিত পথ বেছে নিলেন। বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এবং তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ …

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় নতুন সরকার গঠনের পর প্রথম অধিবেশনের আগেই তৃণমূল কংগ্রেসের বড় নেতারা (Kunal Ghosh)বিতর্কিত পথ বেছে নিলেন। বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় এবং তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুর চেম্বারের বাইরে ধর্নায় বসেছেন। তাঁদের অভিযোগ, স্পিকার তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে রাজি হচ্ছেন না। এই ঘটনা রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে।

শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা স্পিকারের সঙ্গে দেখা করতে এসেছি। কিন্তু তিনি আমাদের সঙ্গে দেখা করছেন না।” পাশে বসে কুনাল ঘোষ আরও জোর দিয়ে বলেন, “দলের সবচেয়ে সিনিয়র এমএলএ এখানে বসে আছেন স্পিকারের সঙ্গে কথা বলতে। এটাই কি গণতন্ত্র?” তৃণমূল নেতাদের এই ধর্না বিধানসভা চত্বরে উল্লেখযোগ্য চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।ঘটনার প্রেক্ষিতে জানা গেছে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে কিছু বিষয়ে আলোচনার জন্য স্পিকারের সঙ্গে সময় চাওয়া হয়েছিল।

আরও দেখুনঃ মছলন্দপুরে পুলিশি অভিযানে শ্রীঘরে জ্যোতিপ্রিয় ঘনিষ্ট অজিত-সুজিত! মিলল অস্ত্র

কিন্তু স্পিকারের দফতর থেকে সাড়া না পেয়ে দুই নেতা সরাসরি চেম্বারের বাইরে বসে পড়েন। এই বিক্ষোভের মধ্যে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা স্লোগান দিয়ে স্পিকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। বিজেপি নেতারা একে তৃণমূলের “নাটক” বলে কটাক্ষ করেছেন। তাঁরা বলছেন, যে দল গত দশ বছর ধরে বিধানসভায় বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করেছে, আজ তারাই গণতন্ত্রের কথা বলছে।

বিজেপি নেতাদের মতে , “এখন যখন তাদের বিরোধী আসনে বসতে হয়েছে, তখনই গণতন্ত্র মনে পড়ছে। এটা হাস্যকর।”অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, স্পিকার নিরপেক্ষতা বজায় রাখছেন না এবং বিরোধী দলের সঙ্গে যথাযথ আচরণ করা হচ্ছে না। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, বিরোধী দল হিসেবে তাদের কিছু অধিকার রয়েছে এবং সেই অধিকার নিশ্চিত করতে স্পিকারের সঙ্গে আলোচনা জরুরি।

কুনাল ঘোষ আরও যোগ করেন যে, সিনিয়র এমএলএ-র সঙ্গে এমন ব্যবহার গণতান্ত্রিক রীতির পরিপন্থী।বিধানসভার কর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে এই ঘটনা নিয়ে কৌতূহল দেখা যাচ্ছে। একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “রাজনীতিবিদরা যখন নিজেদের সুবিধার জন্য ধর্না দেন, তখন সাধারণ মানুষের সমস্যা কেউ দেখে না।” অনেকে মনে করছেন, নতুন সরকারের আমলে তৃণমূল এখন থেকে বিরোধী আসনে থেকে আরও বেশি করে এমন প্রতিবাদ কর্মসূচি নেবে।

ভিডিও নিউজ দেখুন

https://www.youtube.com/watch?v=videoseries

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *