Lakshmir Bhandar Controversy: পুরুষ যখন ‘লক্ষ্মী’! শুভেন্দু হাতনাতে ধরতেই মমতাকেই ‘দোষী’ বানালেন রাকিবুল | Male Beneficiary Received Lakshmir Bhandar Money, Murshidabad Man’s Remark Sparks Row
বহরমপুর: প্রত্যেককেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম ফিলাপ করতে হবে। কারণ বেনোজল ঢুকেছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে একেবারে প্রমাণ সহ দেখিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একজন পুরুষের নাম নিয়ে দেখিয়ে দিলেন কীভাবে এতদিন ধরে তিনি লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা নিচ্ছিলেন। তিনি রাকিবুল শেখ। তাঁর নাম-ঠিকানা-বাড়ি, সবই সামনে এসেছেন শুভেন্দু। তা নিয়ে তোলপাড়ের মধ্যে টিভি৯ বাংলা পৌঁছে গেল রাকিবুলের কাছে।
রাকিবুলের বাড়ি মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে। সেখানে রাধারঘাট ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য। শুধু তিনি নন তাঁর স্ত্রীও তাঁর সঙ্গেই এতদিন পেয়েছেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা। দুজনেই আবার রয়েছে এসআইআরের বিচারাধীন তালিকায়। ফলে কেউই ভোট দিতে পারেননি। রাকিবুল পেশায় হোটেল ব্যবসায়ী। যদিও এতদিন লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ভাতা নেওয়ায় কোনও ‘ভুল’ দেখছেন না তিনি। তাঁর সাফ কথা, বিগত সরকার দুর্নীতির সরকার ছিল, তাই আমরা সুবিধা নিয়েছি।
২০২৩ সাল থেকেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ভাতা পাচ্ছিলেন রাকিবুল। বলছেন, “আমি নিজেও জানতাম না কীভাবে টাকা ঢুকছে। বিডিও অফিসেও গিয়েছিলাম। কেউ পাত্তা দেয়নি। তারপর যখন টাকা ঢুকতেই থাকে তখন বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলি। পরামর্শ নিয়েছিলাম। ওরা বলল ঢুকছে যখন ঢুকক, অসুবিধা নেই তো!” কিন্তু জেনে বুঝেও কেন মুখ বন্ধ করে রাখলেন? উত্তরে অকপটেই রফিকুল আঙুল তুললেন তৃণমূল জমানার দিকে। সুর চড়ালেন তৃণমূল সরকারের দুর্নীতি নিয়ে। তাঁর সাফ কথা, “আমার নাম হয়তো জড়িয়ে গিয়েছে, কিন্তু যাচাই করলে দেখা যাবে ওই সরকারের আমলে প্রত্যেকে দুর্নীতি করেছে।”