সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে শুধু ভালোবাসা নয়, দরকার বিশ্বাসও! করণ কুন্দ্রার অতীত নিয়ে কী বললেন তেজস্বী প্রকাশ?
ভালোবাসি, কিন্তু বিয়ে করব না— এ কেমন সম্পর্ক? অনেকের কাছেই এই ভাবনা এখনও অদ্ভুত লাগে। কারণ একসময় প্রেম মানেই ছিল বিয়ে। সারা জীবন একসঙ্গে থাকার প্রতিশ্রুতি। কিন্তু সময় বদলেছে। বদলেছে সম্পর্কের দৃষ্টিভঙ্গিও। এখন অনেকেই সম্পর্কে জড়ানোর আগে মানুষটাকে বুঝে নিতে চান, নিজেদেরও সময় দিতে চান। কারণ শুধু ভালোবাসা থাকলেই তো সম্পর্ক টেকে না, দরকার বিশ্বাসেরও।
আজকাল সম্পর্কের মধ্যে শুধু দু’জন মানুষ থাকেন না। সঙ্গে থাকে সোশ্যাল মিডিয়া, পুরোনো সম্পর্কের স্মৃতি, নানা গুজব এবং বাইরের মানুষের মতামতও। বিশেষ করে তারকাদের জীবনে এই চাপ আরও বেশি। সম্প্রতি ‘দেশি ব্লিং’ অনুষ্ঠানে এই প্রসঙ্গে নিজের মতামত ব্যক্ত করেছেন অভিনেত্রী তেজস্বী প্রকাশ এবং অভিনেতা করণ কুন্দ্রা। দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্কে রয়েছেন তাঁরা। তবে বিয়ে নিয়ে সমাজের চাপ যে তাঁদের জীবনকেও প্রভাবিত করে, তা স্পষ্ট ভাবেই বুঝিয়েছেন তেজস্বী।
তেজস্বী বলেন, ‘আমার প্রেমিক আছে মানেই যে এখনই বিয়ে করতে হবে, এমনটা নয়। আমরা একসঙ্গে থাকছি, সময় কাটাচ্ছি। সব কিছু খুব সুন্দর ভাবে চলছে। আমি খুব আঁকড়ে ধরে থাকার মানুষও নই।’
বিশেষজ্ঞের মতে, তরুণ প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা এখন আর সম্পর্ককে শুধু বিয়ের গণ্ডিতে বেঁধে রাখতে চান না। তেজস্বী এবং করণও সেই নীতিতে বিশ্বাস করেন। আগে নিজেকে বোঝা, তার পর সঙ্গীকে। এর পর আসে একে অন্যের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা— এই বিষয়গুলিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন এখনকার প্রেমিক-প্রেমিকারা।
আলোচনার সময় উঠে আসে করণ কুন্দ্রার অতীত সম্পর্কের প্রসঙ্গও। অনুষা দাণ্ডেকর-এর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছিল। সেই প্রসঙ্গেও প্রশ্ন করা হয় অভিনেত্রীকে। সেই প্রসঙ্গে তেজস্বী বলেন, ‘আমাদের সবারই একটা অতীত থাকে। কারও সেটা প্রকাশ্যে আসে, কারও আসে না। করণ আমাকে নিজের দিকটা জানিয়েছে।’
বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, এমন অনেকেই রয়েছেন যাঁরা সঙ্গীর অতীত নিয়ে এতটাই চিন্তিত হয়ে পড়েন, যে বর্তমান সম্পর্কের রসায়ন একেবারে তলানিতে পৌঁছে যায়। ছোটখাট সাধারণ বিষয়েও সন্দেহ জন্মাতে শুরু করে। আর সেই সন্দেহই একসময় সম্পর্কের স্বাভাবিক ঘনিষ্ঠতা নষ্ট করে দেয়। অভিজ্ঞরা এ-ও বলছেন যে, বিশ্বাস মানে সব কিছু চুপচাপ মেনে নেওয়া নয়। যদি বার বার মিথ্যে কথা বলা, দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া বা মানসিক দূরত্ব তৈরি হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়, তা হলে সেই বিষয়ে আলাদা করে কথা বলা জরুরি। কারণ সুস্থ সম্পর্কের সংজ্ঞা শুধু ভালোবাসা নয়, ভালো থাকাও। সেই কারণে একে অপরের প্রতি সম্মান, শ্রদ্ধা, সততা এবং স্বচ্ছতা রাখা প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সম্পর্কে বিশ্বাস বজায় রাখতে কয়েকটি বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ—