Bangladeshi: ‘সরকার তো আর রাখবে না…’, হোল্ডিং সেন্টার চালু হতেই বাক্স-প্যাঁটরা নিয়ে হাকিমপুর সীমান্তে লম্বা লাইন | Many bangladeshi people standing at line near Bangladesh border, swarup nagar
বসিরহাট: পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর একবার সীমান্তের কাছে লম্বা লাইন দেখা গিয়েছিল। কাঁটাতার পার করে যাঁরা অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশ করেছেন, তাঁদের দেশে ফেরার হিড়িক চোখে পড়েছিল মাস কয়েক আগে। এবার রাজ্য সরকারের নতুন ঘোষণার পর ফের একই ছবি দেখা গেল। গত রবিবার হোল্ডিং সেন্টার চালু করার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। অবৈধ বাংলাদেশিদের (Bangladeshi Infiltrators) চিহ্নিত করে দ্রুত ‘ডিপোর্ট’ করার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি।
স্বরূপনগরে বাংলাদেশিদের ভিড়
মঙ্গলবার সকাল থেকে উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরের হাকিমপুর সীমান্তের চেকপোস্টে দেখা গেল লম্বা লাইন। ভিড় জমাচ্ছেন বাংলাদেশি নাগরিকরা। অবৈধভাবে যাঁরা ভারতে বসবাস করতেন, যাঁরা দালালদের ধরে এ দেশে প্রবেশ করেছিলেন, তাঁরাই এবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার তোড়জোড় শুরু করেছেন।
এদেশে যে তাঁরা বৈধভাবে বসবাস করতেন না, সে কথা স্বীকার করে নিচ্ছেন লাইনে দাঁড়ানো লোকজনই। এক ব্যক্তিকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “সরকার আর রাখবে না, কী করব বলুন। সরকার চাইছে আমরা দেশে ফিরে যাই।” কেউ বলছেন, এ দেশে এসে দোকানে কাজ করতেন, কেউ পরিচারিকার কাজ করতেন।
শয়ে শয়ে বাংলাদেশি নাগরিক, যাঁরা এতদিন ভারতে এসে আত্মগোপন করে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে, বিভিন্ন পেশায় যুক্ত ছিলেন, তাঁরা আবার দেশে ফেরার জন্য স্বরূপনগরের হাকিমপুর সীমান্তে উপস্থিত হয়েছেন।
ভোট প্রচারে এসেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলে গিয়েছিলেন, অবৈধভাবে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের ডিটেক্ট, ডিলিট ও ডিপোর্ট করা হবে। আর ক্ষমতায় আসার এক মাসের মধ্যেই সেই প্রক্রিয়া শুরু করে দিল বিজেপি সরকার। শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়লেই তাঁকে সরাসরি ডিপোর্ট করার বা বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়ার আগে তাঁদের রাখার জন্য জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টারও চালু হয়ে গিয়েছে। কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা মেনেই সেন্টারগুলি চালু করা হয়েছে রাজ্যে।