উপভোক্তার তালিকা যাচাইয়ে নয়া তথ্য, ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-এ প্রাপক স্বামী
জানা গিয়েছে, তালিকায় বাকি তথ্য যেমন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, মোবাইল নম্বর সব কিছুই উত্তমের স্ত্রী মুনমুন সামন্ত সাউ-এর। তালিকায় স্বামীর নাম থাকলেও লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা পাচ্ছিলেন মুনমুন। উত্তমের দাবি, ২০২১–এ দুয়ারে সরকারে স্ত্রী মুনমুন লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে আবেদন করেছিলেন। তখন থেকেই লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে ঢুকছে। যদিও ঘটনা সামনে আসতেই তালিকা থেকে নিজের নাম বাদ দিতে পঞ্চায়েত ও ব্লক প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন উত্তম। চন্দ্রকোণা-১ বিডিও অফিসে গিয়ে নিজের নাম বাদ দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। উত্তম বলেন, ‘আমি বা আমার স্ত্রী কখনও তালিকা খতিয়ে দেখিনি। স্ত্রী লক্ষ্মীর ভান্ডার পাওয়ার যোগ্য। সেইমত আবেদন করেছিল। কিন্তু তালিকায় আমার নাম কী করে এল বলতে পারব না। উপভোক্তার জায়গায় আমার নাম থাকলেও বাকি সব তথ্য স্ত্রীর। যারা সেই সময় দায়িত্বে ছিল তারাই বলতে পারবে। যদি আমাদের কোনও ভুল থাকে তাহলে আইনি ভাবে যা করার ওরা করতে পারে।’