৫ বছরে ১ কোটি আয়ে একশো কোটির সম্পত্তি! অদিতিদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপে আপাতত ‘না’ হাইকোর্টের
পাল্টা বিকাশ বলেন, ‘একদিনে সম্পত্তির হাতবদল কোনও অপরাধ নয়’। যুক্তি খারিজ করে বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত পাল্টা বলেন, ‘এটা আর্থিক দুর্নীতি হতে পারে। আর বেশির ভাগ আর্থিক দুর্নীতি কাগজপত্র থেকেই ধরা যায়। একদিনে এত সম্পত্তি হাতবদল হলে, তা সন্দেহ জাগায়। এখানে তো প্রার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ।’ যদিও বিকাশ ও আর এক আইনজীবী উদয়শঙ্কর চট্টোপাধ্যায় দাবি করেন, তাঁরা হলফনামায় সম্পত্তির কোনও মিথ্যে তথ্য দেননি। ভোটের আগে সম্পত্তি হস্তান্তর করেছেন। সেটা কোনও অপরাধ নয়। এ জন্য আয়কর দপ্তর হিসেব চাইতে পারে। ক্রিমিনাল কেস হতে পারে না। বিচারপতির পাল্টা প্রশ্ন, ‘কেন আয়কর বিভাগ, কেন পুলিশ আর্থিক দুর্নীতির তদন্ত করতে পারবে না?’ বিকাশের বক্তব্য, ‘এটা ক্রিমিনাল অফেন্স নয়। আর্থিক হিসেব আয়কর বিভাগ খতিয়ে দেখতে পারে। তাঁরা কারও টাকা মেরেছেন, এই অভিযোগ কেউ করেনি।’ বিচারপতি সেনগুপ্ত স্মরণ করিয়ে দেওয়ার ঢঙে বলেন, ‘মাথায় রাখবেন বসিরহাটের শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধেও কেউ অভিযোগ করেনি। কারণ ভয় ছিল। তার মানে শেখ শাহজাহান অপরাধ করেনি, সেটা নয়।’