দালালরাজ বন্ধে কড়া বার্তা খাদ্য দপ্তরের অফিসারদেরও
অশোক জানান, ধান সংগ্রহের ক্ষেত্রে দেখা যায় চাষিরা ১০০ কেজি ধান নিয়ে এলে তাঁরা ৮০ কেজি ধানের দাম পেতেন। বাকি ধান মধ্যস্বত্বভোগীদের হাতে চলে যেত। আবার সহায়ক মূল্যের ক্ষেত্রেও চাষিদের যা পাওয়ার কথা, তার একটি অংশ দালালদের হাতে চলে যেত। এতে শুধু দালালরা যুক্ত, তাই নয়, দপ্তরের কর্মীরাও যুক্ত থাকতে পারেন। তিনি বলেন, ‘এমন প্রমাণ মিললে কাউকেই রেয়াত করা হবে না, সে যেই হোন না কেন। রেশনদ্রব্য বণ্টনের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম বলবৎ থাকবে। কেউ যদি ফুড কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার গুদামের গমের সঙ্গে নিম্নমানের গম বদলে নেন, বা আগের জমানার মতো খোলা বাজারে বিক্রি করে দেন, তা হলে অভিযুক্ত ডিস্ট্রিবিউটর, ডিলারের লাইসেন্স বাতিল করা হবে। যে অফিসারেরা ওই এলাকার দায়িত্বে থাকবেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ করা হবে।’