'ইসলামে গরু জবাইয়ের কোনও জায়গা ছিল না!' বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘ইসলামে গরু জবাইয়ের কোনও জায়গা ছিল না!’ বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ

Spread the love

dilip-ghosh-cow-slaughter-remarks-west-bengal

কলকাতা: পশুবলি ও পশু জবাই নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নতুন নির্দেশিকা ঘিরে রাজ্যজুড়ে চর্চা চলছে (Dilip Ghosh)। ঈদ, মহরম, যেকোনো ধর্মীয় উৎসব কিংবা পুজো কোনো ক্ষেত্রেই আইনের বাইরে কোনো কাজ চলবে না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন রাজ্যের প্রাণী সম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেছেন, “ঈদ হোক, মহরম হোক, যেকোনো ধর্মীয় উৎসব বা পুজো কিছুই আইনের বাইরে যাওয়া যাবে না।

– Advertisement –

জনসাধারণের অনুভূতিতে আঘাত করা যাবে না এবং মানুষ যাতে দৈনন্দিন জীবনে কোনো অসুবিধায় না পড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এতদিন এখানে সত্যিকারের আইনের শাসন ছিল না, ছিল ক্ষমতাবানদের শাসন। এখন সংবিধান ও আইনের শাসন চলবে, সবাইকে তা মেনে চলতে হবে।”

আরও দেখুনঃ রোজগার মেলায় কর্মসংস্থানের জোয়ার: ৫১ হাজার প্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

দিলীপ ঘোষ স্পষ্ট করে বলেছেন, এই নিয়ম কোনো সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে নয়। তিনি বলেন, “গরু জবাই কোনো ধর্মের সঙ্গে জড়িত নয়। যেখান থেকে ইসলামের উৎপত্তি, সেখানে গরু ছিলই না। এখানে অনেক সময় হিন্দুদের মনে আঘাত দেওয়ার জন্যই এটা করা হতো।” মন্ত্রী আরও জানান, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য অবৈধ পশু চোরাচালান বন্ধ করা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। তিনি সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন যাতে কেউ নিজের হাতে আইন তুলে না নেয়।

এই নিয়ম কার্যকর হওয়ার পর থেকেই বকরি ঈদের আগে গরুর হাটগুলোতে অস্বাভাবিক নীরবতা দেখা যাচ্ছে। যেসব জায়গায় আগে হাজার হাজার গরু বিক্রি হত, সেখানে এখন ক্রেতা-বিক্রেতা দুই পক্ষই সতর্ক। অনেক মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ গরুর পরিবর্তে ছাগল কেনার দিকে ঝুঁকছেন, যাতে আইনি জটিলতা এড়ানো যায় এবং অন্য সম্প্রদায়ের অনুভূতিতে আঘাত না লাগে। অন্যদিকে, হিন্দু গরু পালকরা অবিক্রীত পশু নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন।

সরকারের এই পদক্ষেপের মূলে রয়েছে ১৯৫০ সালের ওয়েস্ট বেঙ্গল অ্যানিম্যাল স্লটার কন্ট্রোল অ্যাক্ট। সম্প্রতি ১৩ মে জারি করা নির্দেশিকায় সরকার জানিয়েছে, ১৪ বছরের কম বয়সী গরু, বলদ, মহিষ, বাছুর ইত্যাদি জবাই করা যাবে না। শুধুমাত্র যেসব পশু বয়সের কারণে বা অসুস্থতার কারণে কাজের বা প্রজননের অনুপযুক্ত প্রমাণিত হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রেই স্থানীয় প্রশাসন ও পশু চিকিৎসকের যৌথ সার্টিফিকেট নিয়ে জবাই সম্ভব। সব জবাই চলবে শুধুমাত্র অনুমোদিত স্লটারহাউসে, খোলা জায়গায় বা রাস্তায় পশুবলি একেবারে নিষিদ্ধ।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *