জ্বালানি সাশ্রয়, মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে বাঁকুড়ার প্রশাসনের বাস যাত্রা - 24 Ghanta Bangla News
Home

জ্বালানি সাশ্রয়, মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে বাঁকুড়ার প্রশাসনের বাস যাত্রা

Spread the love

প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি সাশ্রয় সংক্রান্ত ঘোষণার পর রাজ্য প্রশাসনেও এর প্রভাব স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হতে শুরু করেছে। সেই নির্দেশিকার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীদের কনভয়ে গাড়ির সংখ্যা …

প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি সাশ্রয় সংক্রান্ত ঘোষণার পর রাজ্য প্রশাসনেও এর প্রভাব স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হতে শুরু করেছে। সেই নির্দেশিকার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীদের কনভয়ে গাড়ির সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রশাসনিক স্তরেও জ্বালানি সাশ্রয় ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে গুরুত্ব দিয়ে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।

রাজ্যের মুখ্যসচিবের জারি করা নির্দেশিকা অনুসারে সরকারি যানবাহনের ব্যবহারকে আরও যুক্তিসঙ্গত ও সাশ্রয়ী করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এই নির্দেশিকা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার বাঁকুড়া জেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তারা একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করেন। জেলার জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক (ADM), মহকুমা শাসক (SDO) সহ ২২টি ব্লকের বিডিওরা সরকারি আলাদা গাড়ির পরিবর্তে একসঙ্গে সরকারি বাসে করে দুর্গাপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

এই দিন মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠক দুর্গাপুরে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। সাধারণত এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে জেলা ও ব্লক পর্যায়ের আধিকারিকরা আলাদা আলাদা সরকারি গাড়িতে যাতায়াত করে থাকেন। তবে এদিন ব্যতিক্রম দেখা যায় বাঁকুড়া জেলায়। জ্বালানি সাশ্রয়, যানজট কমানো এবং পরিবেশ সংরক্ষণের বার্তা দিতে প্রশাসনের এই যৌথ বাসযাত্রা এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, এই উদ্যোগ শুধুমাত্র নির্দেশিকা মেনে চলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি একটি সচেতন প্রচেষ্টার অংশ। একাধিক গাড়ির পরিবর্তে একটি বা কয়েকটি বাস ব্যবহার করার ফলে জ্বালানির অপচয় অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে। পাশাপাশি রাস্তায় যানবাহনের চাপও হ্রাস পাবে, যা পরিবেশ দূষণ কমাতে সহায়ক হবে।

বাঁকুড়া জেলার জেলাশাসক এই উদ্যোগকে প্রশাসনিক দায়িত্ববোধ ও পরিবেশ সচেতনতার প্রতীক হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর মতে, সরকারি কর্মীদের উচিত সমাজের সামনে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা। যখন প্রশাসন নিজেই জ্বালানি সাশ্রয়ের পথে হাঁটে, তখন সাধারণ মানুষের মধ্যেও সেই বার্তা আরও দৃঢ়ভাবে পৌঁছায়।

অন্যদিকে, জেলা প্রশাসনের একাধিক আধিকারিকও এই উদ্যোগকে ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁদের মতে, একই বাসে একসঙ্গে যাত্রা করার ফলে পারস্পরিক সমন্বয় বৃদ্ধি পায় এবং প্রশাসনিক আলোচনারও সুযোগ তৈরি হয়। এতে সময়ের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হয় এবং দলগত কাজের মান উন্নত হয়।

ভিডিও নিউজ দেখুন

https://www.youtube.com/watch?v=videoseries

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *