MLA Jagannath Sarkar: ‘১০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব লুঠ’, বড় হিসাব দিয়ে তদন্তের দাবি জগন্নাথের | ‘Revenue worth 10,000 crore looted in the stone industry DCR scam’, MLA Jagannath Sarkar demands investigation - 24 Ghanta Bangla News
Home

MLA Jagannath Sarkar: ‘১০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব লুঠ’, বড় হিসাব দিয়ে তদন্তের দাবি জগন্নাথের | ‘Revenue worth 10,000 crore looted in the stone industry DCR scam’, MLA Jagannath Sarkar demands investigation

Spread the love

সাংবাদিক বৈঠকে জগন্নাথ সরকার Image Credit: TV 9 Bangla

বীরভূম: রেশন কেলেঙ্কারির থেকেও অনেক বড় মাপের কেলেঙ্কারি পাথর শিল্পের ডিসিআর কেলেঙ্কারি। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে বড় দাবি করলেন সিউড়ি বিধানসভার নয়া বিধায়ক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। একেবারে হিসাবে কষে বুঝিয়ে দিলেন তৃণমূল প্রশাসনের জালিয়াতির অঙ্ক। দ্রুত যাতে এই ঘটনার তদন্ত হয় তার জন্য খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে জানাবেন বলেও জানান। তাঁর দাবি, গত ১৫ বছরের তৃণমূল শাসনে শুধু বীরভূমেই কয়েক হাজার কোটির রাজস্ব হয়েছে। 

হিসাব দিতে গিয়েই জগন্নাথ বলেন, “প্রথম দিন থেকে কালেকশন শুরু করে সরকার। ১৭ মে থেকে প্রথম রাজস্ব সংগ্রহ শুরু করে সরকার। প্রথমদিনের রাজস্ব সংগ্রহ ছিল ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা। ১৮ মে দ্বিতীয় দিন সরকারের রাজস্ব সংগ্রহের পরিমাণ ছিল ২ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা।” জগন্নাথের দাবি, এক বছর আগে দিনে যেখানে সরকারের ঘরে ১৯ লক্ষ টাকার রাজস্ব জমা পড়তো তা এখন ডবল ইঞ্জিন সরকার আসার পর কোথায় গিয়েছে তা জলের মতো পরিষ্কার। তিনি আরও বলছেন, “ভূমি দফতরের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন এই রোজগার প্রতিদিন ৩ কোটি টাকা পর্যন্ত পৌঁছাবে। অর্থাৎ মাসে প্রায় ৯০ থেকে ১০০ কোটি টাকা শুধু ডিসিআর থেকে সরকারের ভান্ডারে জমা হচ্ছে। যা আগে জমা হতো ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকা।”  

এরপরই তৃণমূলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে বলেন, “১৫ বছরে প্রতি মাসে যদি ৭০ কোটি টাকা লুঠ হয়ে থাকে তাহলে সামগ্রিকভাবে ১০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব লুঠ হয়েছে। আমরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এর যথাযথ তদন্তের দাবি করেছি। মার্চ মাসে যেখানে ৭০ লক্ষ টাকার রাজস্ব জমা পড়েছে সেটা কোন ম্যাজিকে ২ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা হয়ে গেল? ফলে বোঝাই যাচ্ছে কীভাবে তৃণমূলের প্রশাসনিক যন্ত্র কীভাবে কাজ করেছে। এর তদন্ত হোক, কোনও অপরাধী যাতে ছাড়া না পায় তার জন্য আমরা এগোব।” 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *