পুনর্নির্মিত হবে হাড়ভাঙা সেতু, জানালেন অগ্নিমিত্রা - 24 Ghanta Bangla News
Home

পুনর্নির্মিত হবে হাড়ভাঙা সেতু, জানালেন অগ্নিমিত্রা

Spread the love

এই সময়, আসানসোল: অবশেষে দীর্ঘদিনের এক বড় সমস্যার সমাধান হতে চলেছে রানিগঞ্জের তিরাট এলাকার বাসিন্দাদের। আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পাল মন্ত্রিত্ব গ্রহণের পরেই নিজের নির্বাচনী কেন্দ্রে এসে ঘোষণা করলেন, তিরাট এলাকার কয়েক দশকের পুরোনো ও বিপজ্জনক সেতুটি এ বার পুনর্নির্মাণ করা হবে। বর্ষার পরেই এই মেগা প্রকল্পের কাজ শুরু হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভার তিরাট পঞ্চায়েতের অন্তর্গত এই সেতুটি এলাকায় ‘নুনিয়া’ বা ‘হাড়ভাঙা’ সেতু নামে পরিচিত। এর তলা দিয়ে বয়ে গিয়েছে নুনিয়া নদী। হাড়ভাঙা, কুয়ারডি, চেলোদ, ডালমিয়া সমেত আশেপাশের প্রায় ২০টি গ্রামের ২৫ হাজারেরও বেশি মানুষের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম এই সেতু।

বাসিন্দাদের অভিযোগ, কয়েক দশকের পুরোনো এই সেতুটির হাল বর্তমানে অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। প্রায় ১৪ ফুট চওড়া সেতুটি বালি–মাটি আর আবর্জনায় ভর্তি, দু’পাশের লোহার রেলিং ভেঙে গিয়েছে বহু আগেই। সেতুটি এতটাই সংকীর্ণ যে দু’টি গাড়ি পাশাপাশি যাওয়ার উপায় নেই।

এলাকার বাসিন্দা সমীর পাতর ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, ‘সেতুর সংস্কারের জন্য স্থানীয় পঞ্চায়েত থেকে জেলা পরিষদ সব জায়গায় আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু কোনও হেলদোল নেই।’ বাসিন্দারা আরও জানান, বর্ষাকালে নুনিয়া নদীর জল সেতু উপচে বইতে শুরু করে, ফলে সেতুর কোনও অস্তিত্বই বোঝা যায় না। সেই সময়ে বাধ্য হয়ে সবাইকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার পথ বেশি ঘুরে যাতায়াত করতে হয়। তিরাট পঞ্চায়েতের প্রধান শিবদাস চট্টোপাধ্যায় জানান, জেলা পরিষদের বোর্ড বৈঠকে এই সেতুর প্রসঙ্গটি তাঁরা উত্থাপন করেছিলেন।

সেতু পুনর্নির্মাণের আর্থিক জোগানের বিষয়ে অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, ‘এই সেতু দিয়ে নিয়মিত ইসিএলের কয়লা ও বালি বোঝাই ডাম্পার যাতায়াত করে। তাই ইসিএলের সামাজিক কল্যাণ তহবিল (সিএসআর) থেকে এই কাজের জন্য আর্থিক সাহায্য নেওয়া হবে।’

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই সেতু পুনর্নির্মাণের জন্য প্রাথমিক খরচের একটি খসড়াও তৈরি করে রেখেছেন অগ্নিমিত্রা। নতুন করে সেতুটি গড়তে প্রায় চার কোটি টাকা খরচ হতে পারে। মন্ত্রীর এই তৎপরতায় খুশির হাওয়া রানিগঞ্জের তিরাট এলাকায়।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *