Salman Khan follows favourite person’s advice blindly: কাছের মানুষের জন্য লোন নিয়ে কেনেন ঘড়ি! বদলে জোটে চরম ভর্ৎসনা, কী ঘটান ভাইজান? | Salman Khan Reveals He Bought a Rolex for Father Salim Khan on Loan, Says He Still Follows His Advice Blindly
কার জন্য কিনেছিলেন সেই বিশেষ উপহার?
বলিউডের ‘সুলতান’ তিনি। বক্স অফিসে তাঁর এক একটা সিনেমা একশো-দুশো কোটির ব্যবসা করা জলভাত। সেই সলমন খান (Salman Khan) যখন একটা দামি জিনিস কেনার কথা ভেবেছিলেন, তখন তাঁর পকেটে পর্যাপ্ত টাকাও ছিল না! সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে নিজের জীবনের এমনই এক অজানা ও মজাদার গল্প শেয়ার করেছেন ভাইজান। অভিনেতা জানিয়েছেন, কেরিয়ারের শুরুতে নিজের উপার্জনের টাকা দিয়ে প্রথম যে বিলাসবহুল জিনিসটি তিনি কিনেছিলেন, সেটি নিজের জন্য নয়, বরং বিশেষ মানুষের জন্য কিনেছিলেন। আর সেই উপহার ছিল একটি বহুমূল্য রোলেক্স (Rolex) ঘড়ি। কিন্তু সেই ঘড়ি কিনতে গিয়ে রীতিমতো ঋণ বা লোন নিতে হয়েছিল আজকের এই মেগাস্টারকে।
কার জন্য কিনেছিলেন সেই বিশেষ উপহার?
সলমন জানান, সেই সময়ে ঘড়িটির দাম ছিল প্রায় নয় লক্ষ টাকা। কেরিয়ারের শুরুর দিকে অত টাকা একসঙ্গে তাঁর কাছে ছিল না। নিজের জমানো চার লক্ষ টাকা দিয়ে বাকি পাঁচ লক্ষ টাকা লোন নিয়ে ঘড়িটি বাবার হাতে তুলে দিয়েছিলেন তিনি। বাবাই তাঁর জীবনের সেই বিশেষ মানুষ। কিন্তু ছেলের এই কাণ্ড দেখে বাবা সেলিম খান একেবারেই খুশি হননি। উলটে রেগে গিয়ে বলেছিলেন, “এখনও ঠিকঠাক কাজই শুরু করিসনি, আর এর মধ্যেই এসব বিলাসবহুল জিনিস কেনা শুরু করে দিয়েছিস? নিজেকে কোনও রাজা-বাদশা ভাবিস নাকি?” যদিও পরে রাগ কমলে সেলিম খান সেই ঘড়িটিকে গয়নার মতো আগলে রাখতেন। মজার বিষয় হল, বিগত প্রায় ২৬-২৮ বছর ধরে সলমন নিজে কোনও ঘড়ি পরাই ছেড়ে দিয়েছিলেন। ইদানীং তাঁকে হাতে যে সমস্ত ঘড়ি পরতে দেখা যায়, সেগুলি বেশিরভাগই তাঁর বন্ধুদের। তাঁরা সলমনকে ট্রায়াল দেওয়ার জন্য দেন। নিজের বলতে তাঁর কাছে ওই একটিই রোলেক্স ঘড়ি রয়েছে, যা বাবা পরে তাঁকে ফেরত দিয়েছিলেন।
আসলে কেরিয়ারের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত বাবা সেলিম খানের সঙ্গে সলমনের সম্পর্কটা অত্যন্ত গভীর। এই সাক্ষাৎকারে অভিনেতা খোলাখুলি জানিয়েছেন যে, তাঁর সাফল্যের নেপথ্যে বাবার অবদান কতটা। আজও কেরিয়ার বা ব্যক্তিগত জীবনের যে কোনও কঠিন পরিস্থিতিতে বা কোনও বিষয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হলে, সলমন সোজা চলে যান তাঁর বাবার কাছে। সলমনের কথায়, “সাধারণত মানুষ পরামর্শ নিতে আসে ঠিকই, কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিজের মনের সিদ্ধান্তই শোনে। আমার ক্ষেত্রে কিন্তু বিষয়টা একেবারেই তেমন নয়। বাবা আজও আমাকে যা বলেন, আমি চোখ বন্ধ করে সেটাই করি।” কাজের ফ্রন্টে সলমনকে আগামীদিনে অপূর্ব লাখিয়া পরিচালিত ‘মাতৃভূমি’ সিনেমায় দেখা যাবে। এছাড়া ২০২৬ সালের শেষের দিকে রাজ ও ডিকে-র একটি সুপারহিরো প্রজেক্টের শুটিং শুরু করার কথাও রয়েছে তাঁর, যা ২০২৭ সালের ঈদে মুক্তি পেতে পারে।