সাগরের সাফল্যে রয়েছে সুষমার আত্মত্যাগ, IAS হওয়ার স্বপ্নে এগোচ্ছে পড়ুয়া
দুই দিদি আর মা-বাবাকে নিয়ে সাগরদের পরিবার। ইতিমধ্যে দুই দিদি বন্দনা ও মৌসুমির অবশ্য বিয়ে হয়ে গিয়েছে। সাগরের সাফল্যের পিছনে ওর মায়ের অবদানও অনন্য। সাগরের যখন মাত্র ১১ মাস বয়স, তখন মৃত্যু হয় মা মণিকা মণ্ডলের। এমন শিশুসন্তানের দেখভালের জন্য বছর খানেকের মধ্যে ফের বিয়ে করেন বাবা মৃত্যুঞ্জয় মণ্ডল। তখন থেকেই নিজের সন্তান না-হলেও তিন ছেলেমেয়েকে বুক দিয়ে আগলে রেখেছেন সুষমা মণ্ডল, হয়ে উঠেছেন ওদের নিজের মা। স্বামীর সঙ্গে আমেদাবাদে যাওয়ার পর থেকে ফোনে তিনি নজর রাখতেন ছেলের পড়াশোনার। সাগরের কথায়, ‘বাবার থেকে বেশি।’ সাগরের বড় দিদি বন্দনা বললেন, ‘উনি কখনও বুঝতে দেননি, আমাদের সৎমা। আমাদের কথা ভেবে নিজে সন্তান নেননি।’ পাশে বসে সুষমা বললেন, ‘ওরাই তো আমার সন্তান। সাগরের এমন সাফল্যের পর নিজেকে অনেকটা হালকা লাগছে।’