Action against Illegal construction: বেআইনি নির্মাণ নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নতুন সরকারের, নির্দেশিকায় কী কী বলা হল? | West Bengal Government Cracks Down on Illegal Constructions, Strict New Guidelines Issued After Tiljala Incident - 24 Ghanta Bangla News
Home

Action against Illegal construction: বেআইনি নির্মাণ নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নতুন সরকারের, নির্দেশিকায় কী কী বলা হল? | West Bengal Government Cracks Down on Illegal Constructions, Strict New Guidelines Issued After Tiljala Incident

Spread the love

কলকাতা: ব্যাঙের ছাতার মতো বেআইনি নির্মাণ বেড়ে চলেছে। গতকাল তিলজলায় বুলডোজার মামলার শুনানিতে একথা বলেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিভিন্ন জায়গায় বেআইনি নির্মাণ যে হচ্ছে, এই অভিযোগ বারবার উঠেছে। এবার বেআইনি নির্মাণ নিয়ে কড়া নির্দেশিকা জারি করল পুর এবং নগরোন্নয়ন দফতর।বিভিন্ন পৌরসভা ও পৌরনিগম এলাকায় অনুমোদনহীন নির্মাণ নিয়ে একাধিক অভিযোগ পাওয়ার পর এই নির্দেশিকা জারি করা হল। সব আর্বান লোকাল বডি (Urban Local Body)-কে নির্মাণকাজের উপর নিয়মিত নজরদারির নির্দেশ দিল পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর।

গত ১২ মে তিলজলায় একটি বহুতলে আগুন লেগেছিল। ২ জনের মৃত্যু হয়। এরপর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, ওই বহুতলটি বেআইনিভাবে নির্মাণ হয়েছিল। কঠোর পদক্ষেপের বার্তা দেন তিনি। বুধবার বুলডোজার দিয়ে বহুতলটি ভাঙা শুরু হয়। এরই বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়। সেই মামলার শুনানিতেই গতকাল বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরীর পর্যবেক্ষণ, “ব্যাঙের ছাতার মতো বেআইনি নির্মাণ বেড়েই চলেছে। যেটা ধ্বংসাত্মক।”

কী নির্দেশিকা জারি করল পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর?

বেআইনি নির্মাণ যে বরদাস্ত করা হবে না, নতুন সরকার তা নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। তিলজলাকাণ্ডের পরে কড়া নির্দেশিকা জারি করে পুর এবং নগরোন্নয়ন দফতর জানাল, অনুমোদিত নকশা ছাড়া কোনও নির্মাণ হলে অবিলম্বে আইনি নোটিস দিতে হবে। নতুন ভবন কিংবা ফ্ল্যাটের মিউটেশনের আগে অনুমোদিত বিল্ডিং প্ল্যান ও নির্মাণকাজ শেষে শংসাপত্র (Completion Certificate) যাচাই বাধ্যতামূলক। আবাসিক ভবনের বেআইনি বাণিজ্যিক ব্যবহার রুখতেও কড়া নজরদারি চালাতে হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে আলাদা পরিদর্শক দল কিংবা ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে নির্দেশিকায়।

বেআইনি নির্মাণে যুক্ত ব্যক্তি, ডেভেলপার কিংবা ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের নির্দেশিকায়। অপরাধকে কগনিজেবল (Cognizable) ও জামিন অযোগ্য হিসেবে উল্লেখ করতে বলা হয়েছে। এতে সর্বোচ্চ ৫ বছরের জেল ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে। প্রয়োজনে পুলিশি সহায়তা নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হল পৌরসভা ও পৌরনিগমগুলিকে। প্রতি পনেরো দিনে একবার করে বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপের রিপোর্ট দফতরে জমা দিতে হবে বলে নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *