ত্রিশূলের আকৃতিতে রিয়েল এস্টেট দুর্নীতি, মাথায় পুলিশ কর্তা শান্তনুও
এদিন আদালতে ইডির পক্ষ থেকে জানানো হয়, কলকাতার কোনও এলাকার প্রোমোটার কাজ শুরু করলে তাঁকে স্থানীয় কাউন্সিলারের অফিসে গিয়ে নগদ টাকা দিয়ে রফা করতে হতো। এমনকী, স্থানীয় থানাতেও টাকা নেওয়া হতো। কেউ এই নিয়ম না মানলে কাউন্সিলার, জয় ও শান্তনু মিলে হুমকি দিতেন। সেই টাকার ভাগ অনেকের কাছে যেত। কালীঘাট, উল্টোডাঙা, রবীন্দ্র সরোবর, ফুলবাগান সহ বহু এলাকাতে এ ভাবে জমি হাতানোর তথ্য পাওয়া গিয়েছে। শুধু তাই নয়, কলকাতা পুলিশের এক সাব ইনস্পেক্টরের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ডিসিপির স্ত্রী এবং ছেলের নামে পাঁচটি মেডিক্যাল কলেজে ক্যান্টিন চালানো হতো। নিজের ছেলেকে ‘বিবেক জ্যোতি’ অ্যাওয়ার্ড পাইয়ে দেওয়ার জন্য পুলিশ কর্তা প্রভাব খাটিয়েছিলেন। এর প্রমাণ হিসেবে ইডি আদালতকে জানায়, স্বামী বিবেকানন্দ ইউনিভার্সিটিতে অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর হিসেবে তাঁর ছেলে চাকরি করেন। ওই পুরস্কার হিসেবে তিনি এক কোটি টাকা পেলেও অন্য পুরস্কার প্রাপকরা অত বড় অঙ্কের টাকা পাননি।
পুলিশ কর্তার আইনজীবী সাবির আহমেদ ও ইন্দ্রজিৎ অধিকারী আদালতে পাল্টা বলেন, ‘শান্তনুর পৈতৃক জমি–সম্পত্তি রয়েছে। তাঁর ছেলে মেধাবী। তাই অ্যাওয়ার্ড পেতেই পারেন। আর সোনা পাপ্পুকেও পুলিশ কর্তা চেনেন না।’ সব পক্ষের সওয়াল জবাব শুনে আগামী ২৮ মে পর্যন্ত অভিযুক্তকে ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।