‘কী, শেষ পর্যন্ত জিতে গেলেন তো!’ কুণালকে দেখে কেন এমনটা বললেন শুভেন্দু? - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘কী, শেষ পর্যন্ত জিতে গেলেন তো!’ কুণালকে দেখে কেন এমনটা বললেন শুভেন্দু?

Spread the love

কলকাতা: রাজনীতির ময়দানে তাঁদের লড়াই চেনা ছবি, কিন্তু বিধানসভার অলিন্দে দেখা গেল সম্পূর্ণ উল্টো চিত্র। বিধায়ক হিসেবে প্রথমবার শপথ নেওয়ার পরেই নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে মুখোমুখি সাক্ষাৎ …

কলকাতা: রাজনীতির ময়দানে তাঁদের লড়াই চেনা ছবি, কিন্তু বিধানসভার অলিন্দে দেখা গেল সম্পূর্ণ উল্টো চিত্র। বিধায়ক হিসেবে প্রথমবার শপথ নেওয়ার পরেই নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে মুখোমুখি সাক্ষাৎ হলো তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের। দীর্ঘদিনের তিক্ততা সরিয়ে দুই নেতার এই সৌজন্য বিনিময় এবং চওড়া হাসি এদিন রাজ্য রাজনীতির অন্যতম চর্চিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। (Shuvendu Adhikari Kunal Ghosh Meeting)

এদিন শপথগ্রহণ সেরে বিধানসভার লবি দিয়ে যাচ্ছিলেন কুণাল ঘোষ। সেই সময় সামনে থেকে আসছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একে অপরকে দেখেই থমকে দাঁড়ান তাঁরা। সৌজন্য প্রকাশ করে কুণাল ঘোষ মুখ্যমন্ত্রীকে ‘শুভেচ্ছা’ জানান। পাল্টা হাসিমুখে শুভেন্দু অধিকারীর প্রশ্ন ছিল, ‘কি শেষ পর্যন্ত জিতে গেলেন তো!’। শাসক ও বিরোধী শিবিরের দুই প্রধান মুখকে এভাবে হাসিমুখে কথা বলতে দেখে চমকে যান উপস্থিত অনেকেই।

সৌজন্যের এই আবহে আরও এক অভাবনীয় দৃশ্য ধরা পড়ে বিজেপির প্রবীণ নেতা তথা রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের উপস্থিতিতে। তিনি এগিয়ে গিয়ে সরাসরি কুণাল ঘোষকে জড়িয়ে ধরেন। আদর্শগত অমিল থাকলেও দিলীপ ঘোষের লড়াকু মানসিকতার প্রশংসা কুণাল ঘোষ অতীতে বহুবার করেছেন। এদিন সেই ব্যক্তিগত সমীকরণই যেন আলিঙ্গনের ভাষায় ধরা পড়ল বিধানসভার লবিতে।

উল্লেখ্য, গত কয়েক বছরে তৃণমূলের মুখপাত্র হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর কড়া সমালোচক ছিলেন কুণাল ঘোষ। নির্বাচনী প্রচার থেকে শুরু করে সাংবাদিক বৈঠক, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাতে তিনি কখনও কসুর করেননি। একইভাবে শুভেন্দু অধিকারীও কুণালকে আক্রমণ করতে ছাড়েননি। তবে ক্ষমতার পালাবদলের পর বিধানসভার প্রথম দিনেই সেই উত্তপ্ত রাজনীতির বদলে সৌজন্যের নতুন অধ্যায় শুরু হলো বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

ভিডিও নিউজ দেখুন

https://www.youtube.com/watch?v=videoseries

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *