মাধ্যমিকে সাফল্য: সাতটি তারায় আবার উজ্জ্বল নরেন্দ্রপুর, সেরা ছাত্রী বিদিশা - 24 Ghanta Bangla News
Home

মাধ্যমিকে সাফল্য: সাতটি তারায় আবার উজ্জ্বল নরেন্দ্রপুর, সেরা ছাত্রী বিদিশা

Spread the love

এই সময়, নরেন্দ্রপুর: প্রতি বছরের মতো এ বছরও মাধ্যমিকে নজরকাড়া সাফল্য পেল দক্ষিণ শহরতলির নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন বিদ্যালয়। মেধা তালিকায় এই স্কুল থেকে সাতজন পড়ুয়া স্থান পেল। নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন থেকে এ বার ১৩৪ জন ছাত্র মাধ্যমিক দিয়েছিল। এ বারের মেধা তালিকায় এই স্কুল থেকে তৃতীয়, পঞ্চম, সপ্তম, দু’জন অষ্টম এবং দশম স্থান পেয়েছে। লক্ষণীয়, এই স্কুলে বাংলা ও ইংরাজি বিভাগ থাকলেও এ বার যারা র‍্যাঙ্ক করেছে, তারা প্রত্যেকেই বাংলা বিভাগের ছাত্র।

কৃতীদের মধ্যে রাজ্যে তৃতীয় ও স্কুলে প্রথম হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের সৌর জানা (৬৯৫)। সৌর বলে, ‘সাতশোয় সাতশো পাওয়ার লক্ষ্য নিয়ে পরীক্ষা দিয়েছিলাম। ইংরেজিতে সামান্য নম্বর কমে গিয়েছে। তবে সার্বিক ভাবে রেজাল্ট নিয়ে আমি খুশি।’ ভবিষ্যতে ডাক্তার হওয়ার ইচ্ছে রয়েছে তার। নরেন্দ্রপুরের প্রধান শিক্ষক ইষ্টেশানন্দ মহারাজ বলেন, ‘এ বারে মাধ্যমিক যারা দিয়েছে, তারা খুবই মেধাবী। কয়েকজন সামান্য কয়েকটি নম্বরের জন্য মেধা তালিকায় আসতে পারেনি।’

পাশের হারের নিরিখে রাজ্যে প্রথম পাঁচটি জেলার মধ্যে নেই দক্ষিণ ২৪ পরগনা। তবে মেধা তালিকায় কৃতীদের জায়গা পাওয়ার ক্ষেত্রে একেবারে উপরের সারিতে রয়েছে এই জেলা। এ বার জেলা থেকে ১১ জন পড়ুয়া বিভিন্ন র‍্যাঙ্ক পেয়েছে। তার মধ্যে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন থেকেই আছে সাতজন। এ ছাড়াও সোনারপুরের সারদা বিদ্যাপীঠ, কাকদ্বীপের সুন্দরবন আদর্শ বিদ্যামন্দির, জয়নগরের জেএম ট্রেনিং উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও দক্ষিণ বারাসতের শিবদাস আচার্য হাইস্কুলের একজন করে পড়ুয়া মেধা তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে।

নরেন্দ্রপুর থেকে পঞ্চম হয়েছে স্যমন্তক কুণ্ডু (৬৯৩)। ৬৯১ পেয়ে সপ্তম হয়েছে সোমজ্যোতি দাস। যুগ্মভাবে অষ্টম স্থান পেয়েছে জীবিতেশ কয়াল ও সৌম্যকান্তি কুইলা। দু’জনেই পেয়েছে ৬৯০। নবম ও দশম স্থানাধিকারী যথাক্রমে ঐশিক চক্রবর্তী এবং অনুরাগ মণ্ডল। তাদের প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৮। স্কুলের নিয়মানুবর্তিতা ও মোবাইল ফোন ব্যবহার না করা সাফল্যের অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন শিক্ষকরা।

জেলার একজনই ছাত্রী, সোনারপুরের সারদা বিদ্যাপীঠ হাইস্কুলের বিদিশা হালদার মেধা তালিকায় স্থান পেয়েছে। ষষ্ঠ বিদিশার নম্বর ৬৯২। ডাক্তার হতে চায় সে। র‍্যাঙ্ক পেতে হবে, এই মানসিকতা নিয়েই যাবতীয় প্রস্তুতি ও পড়াশোনা মাধ্যমিকে নজরকাড়া সাফল্য রামকৃষ্ণ মিশন ও সারদা বিদ্যাপীঠের এই ছাত্রীর। পড়াশোনার বাইরে আবৃত্তি করা, অনুষ্ঠানে উপস্থাপন করার মতো কাজেও অংশ নিতে দেখা যেত এই ছাত্রীকে। বিদিশার স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা মানসী চৌধুরী বলেন, ‘টানা চার বছর স্কুলের সেরা ছাত্রী হয়েছে সে। পড়াশোনায় বরাবরই সিরিয়াস এবং অন্যান্য কাজকর্মেও পটু।’ ছাত্রীর এই সাফল্যের গোটা স্কুল ভীষণ খুশি।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *