ধামি রাজত্বে বন্ধ মাদ্রাসা বোর্ড! মুখ্যমন্ত্রী হয়ে বাংলায় কি সিদ্ধান্ত নেবেন শুভেন্দু ? - 24 Ghanta Bangla News
Home

ধামি রাজত্বে বন্ধ মাদ্রাসা বোর্ড! মুখ্যমন্ত্রী হয়ে বাংলায় কি সিদ্ধান্ত নেবেন শুভেন্দু ?

Spread the love

দেহরাদুন: উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি স্পষ্ট ঘোষণা করে দিয়েছেন রাজ্যে ধর্মান্তরকরণ (Madrasa Board)আইন, দাঙ্গা-বিরোধী আইন এবং মাদ্রাসা বোর্ড বন্ধের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত । আগামী ১ জুলাই থেকে রাজ্যের …

দেহরাদুন: উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি স্পষ্ট ঘোষণা করে দিয়েছেন রাজ্যে ধর্মান্তরকরণ (Madrasa Board)আইন, দাঙ্গা-বিরোধী আইন এবং মাদ্রাসা বোর্ড বন্ধের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত । আগামী ১ জুলাই থেকে রাজ্যের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শুধুমাত্র সরকার অনুমোদিত আধুনিক পাঠ্যক্রম চালু থাকবে। কোনো প্রতিষ্ঠান যদি শিশু-কিশোরদের উগ্রপন্থায় উস্কানি দেয়, তাহলে সেই প্রতিষ্ঠান তালাবন্ধ করে দেওয়া হবে বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

ধামি বলেন, “আমরা অ্যান্টি কনভার্সন ল, অ্যান্টি-রায়ট ল এবং মাদ্রাসা বোর্ড বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। জুলাইয়ের প্রথম দিন থেকে শুধু সরকারি পাঠ্যক্রম চলবে। শিশুদের র‍্যাডিক্যালাইজ করার চেষ্টা করলে প্রতিষ্ঠান লক করে দেওয়া হবে।” এই ঘোষণার পর থেকেই দেশজুড়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এর প্রভাব নিয়ে জল্পনা চলছে। বাংলার নব নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী যে দীর্ঘদিন ধরে একই ধরনের অবস্থান নিয়ে আসছেন, তাতে অনেকেই মনে করছেন শুভেন্দুরও ‘লাইক-মাইন্ডেড কম্প্যানিয়ন’ তৈরি হচ্ছে। এই আবহেই গতকাল দিলীপ ঘোষ বলেছেন সংখ্যালঘুদের উন্নয়নের দায় আমাদের নয়।

আরও দেখুনঃ কলকাতায় বন্ধ হল অন্তত ৫০টি ‘মা ক্যান্টিন’, ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা

উত্তরাখণ্ডের এই পদক্ষেপকে অনেকে ‘সাহসী ও প্রয়োজনীয়’ বলে উল্লেখ করছেন। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন রাজ্যে মাদ্রাসা শিক্ষা নিয়ে অভিযোগ উঠছে যে, সেখানে আধুনিক বিজ্ঞান, গণিত, ইংরেজি ও সমাজবিজ্ঞানের পরিবর্তে একপেশে ধর্মীয় শিক্ষা এবং কখনো কখনো উগ্র চিন্তাধারা প্রচার করা হয়। ফলে শিশুরা মূলধারার শিক্ষা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং সমাজে বিভেদ বাড়ে। ধামির সরকারের যুক্তি, শিশুদের ভবিষ্যৎ নিরাপদ করতে এই সিদ্ধান্ত জরুরি।

পশ্চিমবঙ্গে শুভেন্দু আধিকারীও একই সুরে কথা বলে আসছেন। তিনি বারবার বলেছেন যে, ধর্মের নামে শিশুদের মনকে বিষিয়ে তোলা চলবে না। উত্তরাখণ্ডের এই ঘোষণার পর শুভেন্দুর সমর্থকরা বলছেন, এবার বাংলাতেও অনুরূপ পদক্ষেপ নেওয়ার সময় এসেছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে মাদ্রাসা শিক্ষার নামে যে ধরনের কার্যকলাপের অভিযোগ ওঠে, তা নিয়ে শুভেন্দু সোচ্চার। শুধু শুভেন্দু নন অতীতে বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পালও মাদ্রাসার সাফল্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়েছেন।

অনেক অভিভাবক এখন প্রশ্ন তুলছেন বাংলায় কবে এমন সিদ্ধান্ত নেবেন শুভেন্দু ?শিক্ষাবিদ ও সমাজকর্মীরা অবশ্য দুই ধরনের প্রতিক্রিয়া দিচ্ছেন। কেউ কেউ বলছেন, “শিশুদের শিক্ষা একই মানের হওয়া উচিত। সরকারি পাঠ্যক্রম মানলে কোনো সমস্যা নেই। ধর্ম শেখানোর জন্য আলাদা ব্যবস্থা থাকতে পারে, কিন্তু সেটা যেন আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হয়।” অন্যদিকে সংখ্যালঘু সংগঠনগুলি এই সিদ্ধান্তকে ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ বলে আখ্যা দিয়েছে।

ভিডিও নিউজ দেখুন

https://www.youtube.com/watch?v=videoseries

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *