কোঁকড়ানো চুলের যত্নে hair diffusing ও CGM কেন জরুরি?
আলতো ভাবে চুল পরিষ্কার করুন
প্রথমে সালফেট-মুক্ত ক্লিনজার বা কো-ওয়াশ ব্যবহার করে স্ক্যাল্প ও চুল পরিষ্কার করুন। অতিরিক্ত কড়া শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না, কারণ এতে চুলের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট হয়ে যায়। চুল ধোয়ার সময় মূলত স্ক্যাল্পে হালকা হাতে ম্যাসাজ করুন, যাতে ময়লা ও বিল্ডআপ পরিষ্কার হয়। এরপর জল নিজে থেকেই বাকি চুল পরিষ্কার করে দেবে।
কন্ডিশন ও ডিট্যাঙ্গল করুন
চুলের মাঝের অংশ এবং ডগায় ভালো করে সিলিকন-মুক্ত কন্ডিশনার লাগান। কন্ডিশনার লাগানো অবস্থাতেই আঙুল বা ওয়াইড-টুথ কম্ব দিয়ে আলতো করে জট ছাড়ান। এতে চুল কম ভাঙে এবং কার্লের আকার আরও সুন্দরভাবে ফুটে ওঠে।
ভেজা চুলেই স্টাইল করুন
চুল ভেজা থাকতেই কার্ল ক্রিম, জেল বা লিভ-ইন কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। প্রেয়ারিং হ্যান্ডস পদ্ধতি বা স্ক্রাঞ্চিং মোশন ব্যবহার করে কার্লগুলোকে আকার দিন। প্রয়োজন হলে চুল ভাগ ভাগ করে প্রোডাক্ট লাগান, এতে সব জায়গায় সমান ভাবে প্রোডাক্ট পৌঁছবে।
যত্ন নিয়ে চুল শুকোন
অতিরিক্ত জল শুষে নিতে মাইক্রোফাইবার তোয়ালে বা কটন টি-শার্ট ব্যবহার করুন। জোরে ঘষবেন না, বরং স্ক্রাঞ্চ করে জল বের করুন। এরপর চুল স্বাভাবিক ভাবে শুকোতে দিন অথবা ডিফিউজার ব্যবহার করুন। ডিফিউজার ব্যবহার করলে লো হিট ও লো স্পিড সেটিং রাখাই সবচেয়ে ভালো, এতে কার্লের ডেফিনেশন ও ভলিউম বজায় থাকে।
কার্লকে সুরক্ষিত ও রিফ্রেশ রাখুন
চুল পুরো শুকিয়ে গেলে যদি জেল ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে আলতো করে স্ক্রাঞ্চ করে শক্ত ভাব দূর করুন। এতে কার্ল নরম ও বাউন্সি দেখাবে। রাতে ঘুমানোর সময় সাটিন পিলোকভার ব্যবহার করুন বা সাটিন বোনেট পরে ঘুমোন, এতে কার্ল কম জট পাকাবে। সকালে চুল রিফ্রেশ করতে জল ও সামান্য লিভ-ইন কন্ডিশনার মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। এতে কার্ল আবার নতুনের মতো ফ্রেশ দেখাবে।