হিংসায় লাগাম নেই, কড়া বার্তা শমীকের
পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘বিজেপির তৃণমূলীকরণ হতে দেবো না। জিতেছি আমরা। অথচ আমাদেরই দু’জন কর্মী শহিদ হয়েছেন। ফলটা উল্টো হলে বিজেপির দু’শো কর্মী শহিদ হয়ে যেতেন।’ শমীকের যুক্তি, ‘তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণে কিছু তৃণমূল নেতা–কর্মী মাথায় গেরুয়া আবির লাগিয়ে হাতে বিজেপির ঝান্ডা নিয়ে তৃণমূলেরই পার্টি অফিস দখল করছেন।’ বিজেপির রাজ্য সভাপতির দাবি, ‘বিরোধীদের দখলে থাকা পুরসভা, পঞ্চায়েতের দখল করার সংস্কৃতি বিজেপিতে চালু করা যাবে না।’ শমীকের হুঁশিয়ারি, ‘যারা এ কাজ করবে, তাদের দলের বাইরে যেতে হবে। পার্টি থেকে বার করে দেবো। পুলিশ এবং মুখ্যসচিবকে স্পষ্ট ভাবে বলেছি, অত্যন্ত কঠোর হাতে পরিস্থিতি নিয়মন্ত্রণ করতে হবে। প্রয়োজনে ব্যাপক লাঠিচার্জ করতে হবে।’ তাঁর আশঙ্কা, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা কিছু জায়গায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করছে। সে দিকেও বিজেপির নজর আছে বলে জানিয়েছেন শমীক।