ভাঙড়ে অশান্তি চলছেই, শান্তির বার্তা নওশাদের
এই সময়, ভাঙড়: আইএসএফ চেয়ারম্যান নওশাদ সিদ্দিকি দ্বিতীয়বারের জন্য নির্বাচনে জিতে কর্মী সমর্থকদের বার্তা দিয়েছেন, অশান্তি না করার জন্য। যদিও ভাঙড়, ক্যানিং, সোনারপুর সর্বত্র বিজেপি ও আইএসএফের উদ্যোগে তৃণমূল কার্যালয় দখল, ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে। ক্যানিং পূর্বে তৃণমূল প্রার্থী বাহারুল ইসলাম জিতলেও শওকত মোল্লার খাসতালুক জীবনতলায় তাঁর কার্যালয় ও শওকত মোল্লা ফ্যান ক্লাবের কার্যালয় দখল করে নেয় আইএসএফ। ফোন বন্ধ থাকায় শওকতের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
মঙ্গলবার নিমকুড়িয়া গ্রামে তৃণমূল পরিবারকে মারধর করার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ, বাড়িতে তৃণমূলের পতাকা না খোলায় নিমকুড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা হাকিম আলি মোল্লার বাড়িতে ঢুকে তাণ্ডব চালায় ৫০ থেকে ৬০ জন আইএসএফ কর্মী সমর্থক। বৃদ্ধ হাকিম ও তাঁর স্ত্রী আয়েশা বিবিকে মারধর করা হয়। মাথা ফাটে আয়েশা বিবি এবং তাঁর ছেলে ফরিদ আলি মোল্লার। আর এক ছেলে ফিরোজ মোল্লার হাতে ভোজালি দিয়ে কোপানোর অভিযোগ ওঠে।
শাঁকশহর, চালতাবেড়িয়ায় প্রচুর ঘর বাড়ি ভাঙা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। কাঁঠালিয়া বাসস্ট্যান্ডে দোকান ভাঙচুর করতে গেলে বিজয়গঞ্জ বাজার থানার পুলিশ লাঠিচার্জ করে উন্মত্ত জনতাকে শান্ত করে। কয়েকমাস আগে ভাঙড়ে খুন হন তৃণমূল নেতা রাজ্জাক খাঁ। রাজ্জাকের স্ত্রী ঝাঁটা, গোবরজল দিয়ে দেওয়াল থেকে শওকত মোল্লার নাম মুছে দেন। নিউ টাউন লাগোয়া হাতিশালা, কুলবেড়িয়া, জিরানগাছার তৃণমূল কার্যালয় দখল করার অভিযোগ উঠেছে আইএসএফ–এর বিরুদ্ধে।