প্রি-ওয়ার্কআউট ড্রিঙ্কে নেশাদ্রব্য মিশিয়ে ধর্ষণ! আলম-আকরামকে যোগী দাওয়াই - 24 Ghanta Bangla News
Home

প্রি-ওয়ার্কআউট ড্রিঙ্কে নেশাদ্রব্য মিশিয়ে ধর্ষণ! আলম-আকরামকে যোগী দাওয়াই

Spread the love

বেরিলি: মহিলা সদস্যের প্রি-ওয়ার্কআউট ড্রিঙ্কে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় চাঞ্চল্য। (Bareilly)ধর্ষণের ভিডিও কোর্স এবং পরে ভিডিয়ো দেখিয়ে ব্ল্যাকমেলও করা হয়েছে বলে অভিযোগ উত্তর প্রদেশের বেরিলিতে। এই জঘন্য …

বেরিলি: মহিলা সদস্যের প্রি-ওয়ার্কআউট ড্রিঙ্কে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় চাঞ্চল্য। (Bareilly)ধর্ষণের ভিডিও কোর্স এবং পরে ভিডিয়ো দেখিয়ে ব্ল্যাকমেলও করা হয়েছে বলে অভিযোগ উত্তর প্রদেশের বেরিলিতে। এই জঘন্য অভিযোগে বেরিলির ‘আলটিমেট ফিটনেস জিম’-এর দুই প্রশিক্ষক ভাইয়ের গ্রেফতারে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযুক্ত আকরাম বেগ ও আলম বেগ নামে দুই ভাইকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ অভিযোগকারিণীর অভিযোগের ভিত্তিতে সিসিটিভি ফুটেজ উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করেছে। গ্রেফতারের পর দুই অভিযুক্তকে জনসমক্ষে প্রকাশ্যে ঘুরিয়ে দেখানো হয়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে বেরিলির আলটিমেট ফিটনেস জিমে। অভিযোগকারিণী নিয়মিত জিমে যেতেন। অভিযোগ অনুসারে, আকরাম ও আলম তাঁর প্রি-ওয়ার্কআউট ড্রিঙ্কে অজ্ঞান করার ওষুধ মিশিয়ে দেন। তারপর জিমের একটি প্রাইভেট রুমে নিয়ে ধর্ষণ করেন।

ঘটনাটি সিসিটিভিতে রেকর্ডও করা হয়। পরবর্তীতে ওই ভিডিয়ো দেখিয়ে ভুক্তভোগীকে ব্ল্যাকমেল করা হয় এবং চুপ থাকতে বলা হয়। কিন্তু অত্যাচারের শিকার নারী সাহস করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ দ্রুত তদন্ত করে সিসিটিভি ফুটেজ উদ্ধার করে এবং দুই ভাইকে গ্রেফতার করে।পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, বিষ প্রয়োগ, গোপনে ভিডিয়ো ধারণ এবং ব্ল্যাকমেলের মামলা রুজু করা হয়েছে।

আরও দেখুনঃমাসুদ আজহারের সঙ্গে নেতাজি-ভগৎ সিংয়ের তুলনা পাকিস্তানের

উভয়কে জনসমক্ষে ঘুরিয়ে দেখিয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার বার্তা দেওয়া হয়েছে। বেরিলির পুলিশ সুপার বলেছেন, “এই ধরনের জঘন্য অপরাধের কোনও ক্ষমা নেই। আমরা ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা নিশ্চিত করেছি। তদন্ত চলছে, শাস্তি হবেই।”এই ঘটনায় বেরিলি জুড়ে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় মহিলা সংগঠনগুলো প্রতিবাদ মিছিল করেছে। একজন স্থানীয় বাসিন্দা মা বলেন, “আমরা ছেলেমেয়েদের ফিটনেস জিমে পাঠাই বিশ্বাস করে। যদি সেখানেই এমন বিশ্বাসঘাতকতা হয়, তাহলে মেয়েদের নিরাপত্তা কোথায়?

জিম কর্তৃপক্ষেরও দায়িত্ব আছে। তাদেরও জবাবদিহি করতে হবে।”জিম মালিকের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য আসেনি। তবে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পর জিমে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে এবং অনেক সদস্য সাময়িকভাবে জিম বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।ভুক্তভোগী নারীর পরিবারের এক সদস্য বলেন, “আমার মেয়ে ভয়ে কাঁপছিল।

অনেক কষ্টে সে অভিযোগ করার সাহস সংগ্রহ করেছে। আমরা চাই কঠোর শাস্তি হোক, যাতে আর কোনও মেয়েকে এমন অভিজ্ঞতার শিকার হতে না হয়।” স্থানীয় মহিলা অধিকার কর্মীরা বলছেন, এই ধরনের ঘটনা দেখিয়ে বোঝা যাচ্ছে যে ফিটনেস সেন্টারগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কঠোর করা প্রয়োজন। সিসিটিভি থাকলেও যদি তার অপব্যবহার হয়, তাহলে তো সমস্যা আরও বড়।

ভিডিও নিউজ দেখুন

https://www.youtube.com/watch?v=videoseries

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *