Mukesh Ambani-Ram Mandir: অযোধ্যায় গেলেন, রামলালার জন্য কী দিলেন মুকেশ অম্বানীরা? - Bengali News | What Mukesh Ambani and Ambani family gave for Ram Mandir, know the details - 24 Ghanta Bangla News
Home

Mukesh Ambani-Ram Mandir: অযোধ্যায় গেলেন, রামলালার জন্য কী দিলেন মুকেশ অম্বানীরা? – Bengali News | What Mukesh Ambani and Ambani family gave for Ram Mandir, know the details

Spread the love

রাম মন্দির উদ্বোধনে হাজির অম্বানী পরিবারImage Credit source: PTI

অযোধ্যা: রাম মন্দির উদ্বোধন তথা রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চোখে পড়ে রাম-আবেগ। মন্দির উদ্বোধনের আগে ভাইরাল হয়ে যায় অম্বানীদের বাড়ি ‘আন্তিলিয়া’র ছবি। আলোকসজ্জা হার মানাচ্ছে দীপাবলিকেও। গোটা বাড়ির দেওয়াল জুড়ে আলোয় লেখা হয়েছে রামের নাম। মন্দির উদ্বোধনের দিন অযোধ্যাতেও পৌঁছে গেল অম্বানী পরিবার। কিন্তু রামলালার জন্য কী দান করলেন দেশের ধনীতম ব্যক্তি?

রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান তথা ম্যানেজিং ডিরেক্টর মুকেশ অম্বানী ও তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে রাম জন্মভূমি ট্রাস্টকে দেওয়া হয়েছে ২ কোটি ৫১ লক্ষ টাকা। সোমবার অযোধ্যায় রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন মন্দিরে উপস্থিত ছিল অম্বানী পরিবার। উপস্থিত ছিলেন তাঁর মেয়ে ইশা অম্বানী, জামাই আনন্দ পীরামল, দুই পুত্র আকাশ ও অনন্ত, পুত্রবধূ শ্লোকা মেহতা ও হবু পুত্রবধূ রাধিকা মার্চেন্ট। সেই ছবি প্রকাশ্যে আসার কিছুক্ষণ পরই অনুদানের কথা ঘোষণা করা হয় অম্বানী পরিবারের তরফ থেকে।

মন্দির উদ্বোধনের আগেই অম্বানী বলেন, রাম আসছে। এই দিনটা গোটা দেশ জুড়ে রাম দীপাবলি হিসেবে পালিত হবে। তাঁর পুত্র আকাশ অম্বানী মন্দিরে গিয়ে বলেন, এই দিনটা ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে। আমরা এখানে আসতে পেরে খুশি।

এই খবরটিও পড়ুন

রাম মন্দিরেই প্রথমবার নয়, দেশের একাধিক মন্দিরে অনুদান করতে দেখা গিয়েছে মুকেশ অম্বানীকে। গত বছরের অক্টোবর মাসে বদ্রীনাথ ও কেদারনাথ মন্দিরের জন্য ৫ কোটি টাকা দান করেছিলেন অম্বানী। এছাড়া গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে গুজরাটের সোমনাথ মন্দিরে গিয়েছিলেন মুকেশ অম্বানী ও তাঁর ছেলে আকাশ। তাঁরা সেই মন্দিরের ট্রাস্টকে ১.৫১ কোটি টাকা দিয়েছিলেন। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে কেরলের কৃষ্ণ মন্দিরে দেড় কোটি টাকা দান করেছিলেন অম্বানী।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *