নবান্ন অতীত! নতুন সরকারের সচিবালয় কি ফিরছে রাইটার্স বিল্ডিংয়ে? তুঙ্গে জল্পনা
কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে সরকার পরিবর্তনের পর রাজ্যের প্রশাসনিক সদর দফতর কোথায় হবে, তা নিয়ে প্রশাসনিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে দীর্ঘ পনেরো বছর পর আবারও আলোচনার কেন্দ্রে …
কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে সরকার পরিবর্তনের পর রাজ্যের প্রশাসনিক সদর দফতর কোথায় হবে, তা নিয়ে প্রশাসনিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে দীর্ঘ পনেরো বছর পর আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে ঐতিহ্যবাহী রাইটার্স বিল্ডিং বা মহাকরণ। পূর্ত দফতর সূত্রে খবর, নতুন সরকার যদি সচিবালয় শহরের কেন্দ্রস্থলে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয়, তবে রাইটার্স বিল্ডিংয়ের দ্বিতীয় তলাকেই মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত বলে মনে করা হচ্ছে। (West Bengal government may shift secretariat back to Writers Building)
সংশ্লিষ্ট দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই রাইটার্সে মুখ্যমন্ত্রীর দফতর চালু করা সম্ভব। বর্তমানে ভবনের দ্বিতীয় তলার মেঝে তৈরি ও সংস্কারের কাজ অনেকটাই শেষ। বাকি রয়েছে কেবল অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা এবং বৈদ্যুতিক সংযোগের মতো কিছু ফিনিশিং টাচ। আধিকারিকদের মতে, দ্বিতীয় তলার প্রশস্ত ও খোলামেলা অংশটি প্রশাসনিক কাজের জন্য আদর্শ। উল্লেখযোগ্য যে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের দফতর প্রথম তলায় থাকলেও, সেই অংশের সংস্কার কাজ এখনও পিছিয়ে রয়েছে।
ঐতিহ্যের প্রত্যাবর্তন
১৭৮০ সালে নির্মিত ২৪০ বছরেরও বেশি পুরনো এই ভবনটি বাংলার ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ২০১৩ সালে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সচিবালয় নবান্নে স্থানান্তর করার আগে পর্যন্ত রাইটার্সই ছিল রাজ্যের প্রশাসনিক কেন্দ্র [cite: ২৪০ বছরেরও বেশি পুরনো এই ঐতিহাসিক ভবনটি ২০১৩ সালে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সচিবালয় নবান্নরয় স্থানান্তর করার আগে পর্যন্ত রাজ্যের প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হত]। বর্তমানে ১০২ কোটি টাকার সংস্কার প্রকল্পের মাধ্যমে ভবনটির পুরনো কাঠামো সংরক্ষণ করে আধুনিকীকরণ করা হচ্ছে। বিনয়-বাদল-দীনেশের স্মৃতিধন্য এই ভবনে আবারও প্রশাসনিক তৎপরতা ফিরবে কি না, তা এখন সময়ের অপেক্ষা।