আসানসোলের স্ট্রং রুমে মোবাইল নিয়ে ঢোকার চেষ্টা তৃণমূল কর্মীর! ছড়াল চাঞ্চল্য
আসানসোল: আসানসোল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের স্ট্রং রুম চত্বরে উত্তেজনা। (strong room)একটি বন্ধ মোবাইল ফোন একটি খামের মধ্যে পাওয়া যাওয়ায় এলাকায় বড়ো ধরনের হইচই শুরু হয়েছে। খামের সঙ্গে রানিগঞ্জ বিধানসভা …
আসানসোল: আসানসোল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের স্ট্রং রুম চত্বরে উত্তেজনা। (strong room)একটি বন্ধ মোবাইল ফোন একটি খামের মধ্যে পাওয়া যাওয়ায় এলাকায় বড়ো ধরনের হইচই শুরু হয়েছে। খামের সঙ্গে রানিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের কিছু নথিপত্রও ছিল বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে।বিজেপি নেতারা অভিযোগ করেছেন, কেউ একজন মোবাইল ফোন নিয়ে স্ট্রং রুম এলাকায় ঢোকার চেষ্টা করছিল। তাঁদের কর্মীরা তাকে আটকে দেন।
মোবাইল ফোন নিয়ে আসা একেবারে নিষিদ্ধ। পুলিশ কী করছে আমি জানি না। ফোন ভেতরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তাই আমরা আটকেছি। এজন্যই এখানে দাঁড়িয়ে আছি। আমরা কোনো অনৈতিক কাজ হতে দেব না। এখানকার সব অফিসার তৃণমূলের লোক” ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয় বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা স্ট্রং রুমের সামনে জড়ো হন। তাঁরা উচ্চস্বরে স্লোগান দিতে থাকেন এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে থাকেন।
আরও দেখুনঃআর মাত্র ৯০ দিন! জলসঙ্কটে মোদী সরকারের পা ধরবে পাকিস্তান
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে লাঠিচার্জের প্রস্তুতি নিতে হয়। তবে কোনো বড়ো সংঘর্ষ হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনায় উদ্বিগ্ন। একজন বয়স্ক ভোটার বলেন, “গণনার আগে এমন ঘটনা হলে মানুষের মনে সন্দেহ তৈরি হয়। আমরা চাই স্বচ্ছ গণনা। কোনো কারচুপি হোক, তা আমরা চাই না।” আরেক যুবকের কথায়, “মোবাইল ফোন নিয়ে কেউ ঢোকার চেষ্টা করলে তো সন্দেহ হবেই।
#WATCH | Asansol, West Bengal: A commotion erupted near the Asansol Engineering College strong room premises, reportedly after a switched-off mobile phone was found in an envelope, along with some documents related to the Raniganj Assembly constituency.
A BJP leader says,… pic.twitter.com/MoIbg9Iu2d
— ANI (@ANI) May 3, 2026
প্রশাসনের উচিত বিষয়টি তদন্ত করে সত্য বের করা।”বিজেপি জেলা নেতৃত্ব ঘটনাটিকে গুরুতর বলে উল্লেখ করেছে। তাঁরা দাবি করেছেন, স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। দলের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে। বিজেপি নেতারা বলছেন, “তৃণমূলের লোকজন যেভাবে অফিসারদের নিয়োগ করেছে, তাতে সন্দেহ থেকেই যায়। আমরা কোনো অনিয়ম হতে দেব না।”
তৃণমূল কংগ্রেস অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। দলের এক নেতা বলেন, “বিজেপি হেরে যাওয়ার ভয়ে আগে থেকেই অজুহাত তৈরি করছে। পুলিশ ও প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে। এটা বিজেপির রাজনৈতিক চাল।” আসানসোল ও রানিগঞ্জ এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ইতিমধ্যেই চরমে।
গণনার দিন যত এগিয়ে আসছে, সন্দেহ ও অভিযোগও বাড়ছে। স্থানীয় প্রশাসন অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে। স্ট্রং রুমের চারপাশে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরা ও ওয়েবকাস্টিংয়ের মাধ্যমে গোটা প্রক্রিয়া নজরদারিতে রাখা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।