আশঙ্কাই সত্যি হল! এক ধাক্কায় ১০০০ টাকা বাড়ল গ্যাসের দাম
নয়াদিল্লি: মে মাসের শুরুতেই বড়সড় ধাক্কা খেলেন ব্যবসায়ীরা। শুক্রবার থেকে একলাফে ৯৯৩ টাকা মহার্ঘ হলো ১৯ কেজির বাণিজ্যিক এলপিজি (Commercial LPG) সিলিন্ডার। ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশনের (IOC) পক্ষ থেকে …
নয়াদিল্লি: মে মাসের শুরুতেই বড়সড় ধাক্কা খেলেন ব্যবসায়ীরা। শুক্রবার থেকে একলাফে ৯৯৩ টাকা মহার্ঘ হলো ১৯ কেজির বাণিজ্যিক এলপিজি (Commercial LPG) সিলিন্ডার। ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশনের (IOC) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই দাম বাড়ানো হয়েছে। মূলত রেস্তোরাঁ, হোটেল এবং বেকারি শিল্পের ওপর এই মূল্যবৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
১৯ কেজির সিলিন্ডার: দিল্লিতে এই সিলিন্ডারের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩,০৭১.৫০ টাকা। বাণিজ্যনগরী মুম্বইতেও এর দাম ৩ হাজার ছাড়িয়ে হয়েছে ৩,০২৪ টাকা।
৫ কেজির মিনি সিলিন্ডার (ছোটু): ছোট ব্যবসায়ীদের প্রিয় ‘ছোটু’ সিলিন্ডারের দামও বেড়েছে ২৬১ টাকা। দিল্লিতে এখন ৫ কেজির একটি সিলিন্ডার কিনতে খরচ হবে প্রায় ৩৩৯ টাকা।
সাধারণের স্বস্তি কোথায়?
বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম আকাশছোঁয়া হলেও স্বস্তির খবর হলো, ১৪.২ কেজির সাধারণ ঘরোয়া রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়নি। প্রায় ৩৩ কোটি গ্রাহকের কথা মাথায় রেখে এই স্থিতাবস্থা বজায় রাখা হয়েছে। এছাড়া পেট্রোল ও ডিজেলের খুচরো দামেও কোনও পরিবর্তন করেনি তেল সংস্থাগুলি। কেরোসিনের দামও রাখা হয়েছে অপরিবর্তিত।
কেন এই আংশিক বৃদ্ধি?
ইন্ডিয়ান অয়েলের বিবৃতি অনুযায়ী, প্রায় ৮০ শতাংশ পেট্রোলিয়াম পণ্যের দাম বাড়ানো হয়নি। কেবল শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত জ্বালানি, যা মোট ব্যবহারের মাত্র ১৬ শতাংশ, তার ক্ষেত্রেই এই সংশোধন করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিমানের জ্বালানির (ATF) দাম বাড়লেও দেশীয় উড়ান সংস্থাগুলির জন্য তা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে যাতে সাধারণ যাত্রীদের ওপর বাড়তি চাপ না পড়ে।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, বাণিজ্যিক গ্যাসের এই বিশাল মূল্যবৃদ্ধি শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের খাবারের প্লেটেই প্রভাব ফেলবে। আগামী দিনে রেস্তোরাঁ ও হোটেলের খাবারের দাম বাড়ার প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হলো।