Becharam Manna : ‘বিজেপিকে জেতানোর জন্য রাতের বেলায় পুলিশ…’ , একরাশ ক্ষোভ বেচারামের – Bengali News | WB Assembly Election 2026: TMC Candidate Becharam Manna Protests Outside Police Station, Allegations Against Police & Central Forces
সিঙ্গুর :দ্বিতীয় দফার ভোটের (WB Assembly Election 2026) আগের রাতে উত্তপ্ত সিঙ্গুর (Singur)। গভীর রাতে থানার সামনে বিক্ষোভ তৃণমূল কংগ্রেসের। সিঙ্গুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী বেচারাম মান্নার নেতৃত্বে থানা ঘেরাও করে চলে বিক্ষোভ। অভিযোগ, তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বাড়ি থেকে থানায় তুলে নিয়ে আসা হচ্ছে। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল প্রার্থী বেচারাম মান্না। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন তিনি। অন্যদিকে, সিঙ্গুরে আরেক তৃণমূল কর্মীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে।
বেচারাম মান্নার অভিযোগ
তখন মধ্যরাত। হঠাৎ সিঙ্গুর থানার সামনে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে পৌঁছন বেচারাম মান্না। থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। গেটের সামনে মাটিতে বসেই চলে বিক্ষোভ, স্লোগান। দাবি তোলেন, তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডলকে অবিলম্বে ছেড়ে দিতে হবে। বেচারামের অভিযোগ,রাতে অঞ্চল সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডলকে থানায় তুলে নিয়ে এসে আটকে রেখেছে পুলিশ।
তিনি বলেন, “সোমবার রাত থেকেই বেছে বেছে তৃণমূল কর্মী-নেতাদের বাড়ি গিয়েছে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী হুমকি দিচ্ছে। তাঁদের গ্রেফতার করে থানায় বসিয়ে রাখা হচ্ছে। তাঁদের ভয় দেখানো হচ্ছে। থানায় যাঁদের নামে কোনও অভিযোগ নেই, তাঁদের থানায় নিয়ে এসে হয়রানি করা হচ্ছে। আজও আমাদের অঞ্চলের সভাপতি শ্যামাপদ মণ্ডলকে তুলে নিয়ে আনা হয়েছে। তার বিরুদ্ধেই আমরা থানায় বসছি। বিজেপিকে জেতানোর জন্য এই কাজগুলি করা হচ্ছে। যতক্ষণ না ছাড়া হবে ততক্ষণ পর্যন্ত প্রতিবাদ চালিয়ে যাব।”
অন্যদিকে, সিঙ্গুরের বুড়িগ্রাম এলাকায় এক তৃণমূল কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, তৃণমূল কর্মী সনৎ কুমার ধারা রাতে বাড়ির সামনে বসেছিল। অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশ তাঁকে বেধড়ক মারধর করে। তৃণমূল কর্মী বলেন, “আমি খেয়েদেয়ে বাড়ির বাইরে বসেছিলাম। আমাকে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে জিজ্ঞেস করে কেন বাইরে বসে আছি। আমি জানাই, আমার ভাঙা ঘর। বিদ্যুত নেই। এটা বলার পরই আমাকে খুব মারধর করা হয়। তারপর ওখান থেকে পালাতে বাধ্য হই।” পরে তাঁকে সিঙ্গুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর হাতে তিনটে সেলাই পড়েছে। আহত কর্মীকে দেখতে হাসাপাতালে গিয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী বেচারাম মান্না।