বাংলায় নির্বাচন চলছে! যোগী রাজ্যে স্মার্ট মিটার ভেঙে ডবল ইঞ্জিনে ক্ষোভ মহিলাদের - 24 Ghanta Bangla News
Home

বাংলায় নির্বাচন চলছে! যোগী রাজ্যে স্মার্ট মিটার ভেঙে ডবল ইঞ্জিনে ক্ষোভ মহিলাদের

Spread the love

লখনউ: বাংলায় দ্বিতীয় দফার নির্বাচন শেষ হয়নি। (smart meter)এর মধ্যেই যোগী রাজ্যের ডবল ইঞ্জিনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে মহিলারা। স্মার্ট মিটার ভেঙে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে প্রতিবাদ চলছে উত্তর …

লখনউ: বাংলায় দ্বিতীয় দফার নির্বাচন শেষ হয়নি। (smart meter)এর মধ্যেই যোগী রাজ্যের ডবল ইঞ্জিনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে মহিলারা। স্মার্ট মিটার ভেঙে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে প্রতিবাদ চলছে উত্তর প্রদেশে। পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ এখনও শেষ হয়নি, অথচ উত্তর প্রদেশে ইতিমধ্যেই ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের বিরুদ্ধে বড়সড় অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

যোগী আদিত্যনাথের রাজ্যে স্মার্ট প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটার নিয়ে মহিলাদের ক্ষোভ এতটাই চরমে পৌঁছেছে যে, অনেক জায়গায় তাঁরা রাস্তায় নেমে মিটার উপড়ে ফেলছেন, ভেঙে ছুড়ে ফেলছেন এবং বিদ্যুৎ দফতরের সামনে প্রতিবাদ করছেন। মীরাট, লখনউ, বান্দা, হাপুর, আগ্রা, প্রতাপগড়সহ একাধিক জেলায় এই দৃশ্য দেখা যাচ্ছে।মহিলারা অভিযোগ করছেন, পুরনো মিটারে যেখানে মাসে ৫০০-৭০০ টাকা বিদ্যুৎ বিল আসত, সেখানে স্মার্ট মিটার লাগানোর পর বিল হঠাৎ করে ৩-৫ গুণ বেড়ে গেছে।

আরও দেখুনঃ মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোট দিলেন মমতা, বুথ থেকে বেরিয়েই তুলোধোনা বাহিনীকে

কেউ কেউ বলছেন, এক মাসে বিল ৫০০ টাকা থেকে ৫,০০০ টাকা হয়ে গেছে। অনেক পরিবারের কাছে এই বিল দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে গৃহিণীরা রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে রাস্তায় নেমে এসেছেন। ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, মহিলারা লাঠি দিয়ে মিটার ভাঙছেন, রাস্তায় ছুড়ে ফেলছেন এবং বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও করছেন।স্মার্ট মিটারের উদ্দেশ্য ছিল বিদ্যুৎ চুরি রোধ করা, রিয়েল-টাইম মনিটরিংয়ের মাধ্যমে ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা এবং টেম্পারিং শনাক্ত করা।

সরকারের দাবি, এতে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং লোকসান কমবে। কিন্তু সাধারণ মানুষের অভিযোগ, মিটারগুলো ঠিকমতো কাজ করছে না, বিলিং সিস্টেমে গণ্ডগোল রয়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রে বিনা অনুমতিতে জোর করে মিটার বদল করা হয়েছে।এই ব্যাপক প্রতিবাদের পর যোগী সরকার বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। স্মার্ট মিটারের নতুন ইনস্টলেশন সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।

একটি উচ্চ-পর্যায়ের টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করা হয়েছে, যারা বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। সরকার আরও ঘোষণা করেছে যে, স্মার্ট মিটারের ব্যালেন্স শূন্য হয়ে গেলেও তিন দিন পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করা হবে না।এই ঘটনা ভারতে সংস্কারের বিরুদ্ধে স্বয়ংক্রিয় বিরোধিতার একটি উদাহরণ হয়ে উঠেছে। যেকোনো পরিবর্তন এলে প্রথমেই বিরোধিতা শুরু হয়। অনেকেই বলছেন, স্মার্ট মিটারের মতো আধুনিক ব্যবস্থা দীর্ঘমেয়াদে উপকারী হলেও, বাস্তবায়নের সময় সাধারণ মানুষের সুবিধা-অসুবিধা, সচেতনতা এবং স্বচ্ছ যোগাযোগের অভাব দেখা গেছে। ফলে ছোট ছোট সমস্যা বড় আকার ধারণ করেছে।

এই ঘটনাতেই ফের সরব রাজনৈতিক মহল। বাংলার শাসক শিবির তৃণমূল কংগ্রেস ডবল ইঞ্জিন সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছে। তাদের মতে ডবল ইঞ্জিন সরকারের রাজ্যে এই ধরণের দুর্নীতি চলছে। বিদ্যুৎ বিল বাড়িয়ে দিয়ে মানুষের উপর অত্যাচার চলছে। বাংলাতেও ক্ষমতায় এলে বিজেপি এইভাবে মানুষকে হয়রান করবে।

ভিডিও নিউজ দেখুন

https://www.youtube.com/watch?v=videoseries

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *