Bangladesh Financial Crisis: এখনই ৩০০ কোটি ডলার ঋণ চাই বাংলাদেশের! হঠাৎ কেন সঙ্কট তৈরি হল? – Bengali News | Iran US War Impact: Bangladesh Urgently Needs $3 Billion Loan to Tackle Rising Costs
ঢাকা: মধ্য প্রাচ্যের যুদ্ধ, তার জেরে সঙ্কটে বাংলাদেশ (Bangladesh)। জ্বালানি সঙ্কটের পর এবার আর্থিক সঙ্কটে পড়েছে পড়শি দেশ। প্রয়োজন ৩০০ কোটি ডলারের ঋণ ( $3 Billion Loan)। ইতিমধ্যেই ঋণের জন্য খোঁজখবর শুরু করেছে বাংলাদেশ সরকার। কোথা থেকে মিলবে এই ঋণ?
ইরান-আমেরিকা সংঘাতের কারণে বিশ্ব বাজারে বাড়ছে জ্বালানি, গ্যাস ও সারের দাম। এই পণ্য আমদানির খরচ জোগাতে প্রয়োজন ৩০০ কোটি ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা। ভর্তুকি দিতে লাগবে সাড়ে ৩৮ হাজার কোটি টাকা। গত মার্চ থেকে আগামী জুন মাস পর্যন্ত বাজেটে সাহায্যের জন্য উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে এই ঋণ নিতে চায় বিএনপি সরকার। ঋণ পাওয়া যায় কি না, তা আলোচনা করে দেখতে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগকে চিঠি দিয়েছে সে দেশের অর্থ মন্ত্রক।
প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান-আমেরিকার যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশের উপরে যে প্রবল চাপ তৈরি হয়েছে। জ্বালানি ও সার আমদানি নিশ্চিত করতে, সার, তেল, জ্বালানির দাম যাতে অস্বাভাবিকভাবে না বৃদ্ধি পায়, তার জন্যই ঋণ চাওয়া হয়েছে। জরুরি প্রয়োজন মেটাতে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে এই ঋণ দরকার বলে জানানো হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল বা আইএমএফের কাছ থেকে অতিরিক্ত ঋণ চাওয়া হয়েছে।
যুদ্ধের কারণে জ্বালানি ও খাদ্য সরবরাহ বিঘ্নিত হলে, বিশ্ববাজারে মূল্য বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশও সমস্যায় পড়ে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পরপরই বিশ্ববাজারে জ্বালানিসহ নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে গিয়েছিল।তখন থেকেই অতিরিক্ত দামে জ্বালানি আমদানি করতে গিয়ে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুত দ্রুত কমতে থাকে। একটি পর্যায়ে তা ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলার থেকে নেমে আসে ২ হাজার কোটি ডলারের নিচে। অন্যদিকে, বাংলাদেশি মুদ্রার দামও ডলারের সাপেক্ষে ৮৬ টাকা থেকে বেড়ে ১২০ টাকায় পৌঁছয়। ফলে বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে। দফায় দফায় বাড়ানো হয় বিদ্যুৎ, গ্যাস, জ্বালানি তেল ও সারের দাম। সেই সময় দায়ী করা হয়েছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারকে। এবারও ইরান-আমেরিকা সংঘাত শুরুর পরই আর্থিক সঙ্কটে পড়েছে বাংলাদেশ।