Attack on Sangrami Joutha Mancha: সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতাদের নৃশংস হামলা! ‘প্রাণে মারার চেষ্টা’, তৃণমূলের দিকে আঙুল ভাস্করের

বাঁকুড়া: সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের উপর হামলা। হামলার ঘটনা ঘটল বাঁকুড়ার স্কুলডাঙ্গা এলাকায়। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতা ভাস্কর ঘোষের সামনেই নৃশংসভাবে জনা ৪০ দুস্কৃতr লাঠি ও হকি স্টিক নিয়ে মঞ্চের নেতা অরিন্দম মণ্ডলের উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। রক্তাক্ত অবস্থায় অরিন্দমকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে। গোটা ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে তৃণমূলের দিকে। যদিও শাসকদলের নেতাদের পক্ষ থেকে সমস্ত অভিযোগই অস্বীকার করা হয়েছে।
শুক্রবার বাঁকুড়া শহরের স্কুলডাঙ্গা এলাকায় এবিটিএ এর হলঘরে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের একটি বৈঠক ছিল। সূত্রের খবর, বৈঠক শেষে মঞ্চের নেতা ভাস্কর ঘোষ সহ কয়েকজন স্থানীয় স্কুলডাঙ্গা মাজারের কাছে বসে ছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় আচমকাই তৃণমূলের ছাত্র নেতা সুরজ বক্সের নেতৃত্বে তাঁদের উপর জনা ৪০ দুষ্কৃতী হামলা চালায়। লাঠি, হকি স্টিক-সহ বিভিন্ন জিনিস দিয়ে হামলা চালিয়ে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের নেতা অরিন্দম মণ্ডলকে নৃশংসভাবে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় গুরুতর জখম হন অরিন্দম।
খবরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। তাঁর সতীর্থরাই শেষে তাঁকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যান। ভাস্কর ঘোষের দাবি রাজনৈতিক কারণে তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও চাপানউতোর শুরু হয়েছে। ভাস্কর ঘোষ বলছেন, “আমি শুনলাম সুরোজ বক্স নামে একজনের নেতৃত্বেই এই ঘটনা ঘটেছে। বাঁশ-লাঠি-হকি স্টিক নিয়ে হামলা করেছে। ওর মধ্যে তৃণমূলের ফ্ল্য়াগ দেওয়া লাঠিও ছিল। একেবারে খুনের চেষ্টার মতো ঘটনা। পুরো আক্রমণই হয়েছে মাথা, মুখ লক্ষ্য করে। ওদের উদ্দেশ্য ছিল অরিন্দমকে প্রাণে মারার। ওদের লক্ষ্যে আমিও ছিলাম।”