Adhir Campaign in Berhampore: অধীরকে দেখেই দু’পাশে চিল-চিৎকার TMC কর্মীদের, মাঝখান থেকে হাসতে-হাসতে প্রচার করে বেরিয়ে গেলেন কংগ্রেস প্রার্থী - 24 Ghanta Bangla News
Home

Adhir Campaign in Berhampore: অধীরকে দেখেই দু’পাশে চিল-চিৎকার TMC কর্মীদের, মাঝখান থেকে হাসতে-হাসতে প্রচার করে বেরিয়ে গেলেন কংগ্রেস প্রার্থী

Adhir Campaign in Berhampore: অধীরকে দেখেই দু’পাশে চিল-চিৎকার TMC কর্মীদের, মাঝখান থেকে হাসতে-হাসতে প্রচার করে বেরিয়ে গেলেন কংগ্রেস প্রার্থী

বহরমপুর: এই নিয়ে পরপর তিনদিন। যেখানে-যেখানে বহরমপুরের কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী প্রচারে যাচ্ছেন, সেখানেই তাঁকে পতাকা নিয়ে বাধা দেওয়া হচ্ছে। রবিবারও সকালে ভোট প্রচারে বেরনো মাত্রই অধীরকে ঘিরে গো-ব্যাক স্লোগান তৃণমূল কর্মীদের।

এখানে উল্লেখ্য, যে কেন্দ্রে অধীর প্রচার করছিলেন সেই কেন্দ্র দখলে রয়েছে বিজেপির। গতবার এখান থেকে জিতেছিলেন বিজেপি প্রার্থী সুব্রত মৈত্র। এবারও দল তাঁকে প্রার্থী করেছে। কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে তাঁর প্রচারে এখনও কোনও সমস্যা হয়নি। তাহলে অধীরই কেন? গত লোকসভা ভোটের হিসাব বলছে, অধীর চৌধুরী বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল সাংসদ ইউসুফ পাঠানের কাছে হারলেও, বিধানসভা ভিত্তিক ফলাফলে কিন্তু এগিয়ে ছিলেন। আর এই বহরমপুর অধীরের গড় বলা চলে। এখানকার মুখ তিনি। সেই কারণে কি এখানে লড়াই তৃণমূল বনাম কংগ্রেস এমনই ন্যারেটিভ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে?

রবিবার বহরমপুর পৌরসভার অন্তর্গত তিন নম্বর ওয়ার্ডের দয়াময়ী কালী বাড়ি এলাকায় অধীর চৌধুরীকে স্লোগান দেওয়া হয়।। তৃণমূলের পক্ষ থেকে গো-ব্যাক স্লোগান দেওয়া হয়। অশান্তি এড়াতে কেন্দ্র বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। এ দিন, একপাশে পতাকা হাতে দাঁড়িয়ে স্লোগান দিতে থাকেন তৃণমূল কর্মীরা, অন্যদিকে পাত্তা না দিয়েই এগিয়ে যেতে থাকেন কংগ্রেস প্রার্থী।

২১ নম্বর ওয়ার্ডে অধীরের ভোট প্রচারের সময় বাধা দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর, অধীর চৌধুরী যখন গাড়ি থেকে নেমে প্রচার শুরু করতে যান তখনই তাঁকে উদ্দেশ্য করে স্লোগান দিতে থাকেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। অভিযোগ, ওই সময়েই কংগ্রেস কর্মীদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তৃণমূলের কর্মীরা।

এ দিকে, অধীর এই সব বিষয়কে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তিনি বলেন, “কুকুরের ঘেউ-ঘেউ শুনে কোনও মাথা ব্যথা নেই। আমরা যাব, ভোট চাইব, বক্তব্য রাখব, ভোট করাবই। এতদিন পুরোভোটে মানুষকে আতঙ্কিত করে রেখেছিল। এবার এগুলো হতে দেব না। তাদের ইচ্ছা থাকতে পারে, আমরা এবার হতে দেব না। নির্বিঘ্নে অবাধ ভোট হবে-হবে-হবে। বহরমপুরবাসী যেন ভরসা রাখেন। আগামী দিনেও এই শহরকে সন্ত্রাসমুক্ত করব।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *