Kalyan Banerjee’s Son: বিচারাধীন তালিকায় নাম, কল্যাণের ছেলে বললেন,’মাই নেম ইস বন্দ্যোপাধ্যায় অ্যান্ড আই অ্যাম নট মুসলিম’ - 24 Ghanta Bangla News
Home

Kalyan Banerjee’s Son: বিচারাধীন তালিকায় নাম, কল্যাণের ছেলে বললেন,’মাই নেম ইস বন্দ্যোপাধ্যায় অ্যান্ড আই অ্যাম নট মুসলিম’

Spread the love

Kalyan Banerjee’s Son: বিচারাধীন তালিকায় নাম, কল্যাণের ছেলে বললেন,’মাই নেম ইস বন্দ্যোপাধ্যায় অ্যান্ড আই অ্যাম নট মুসলিম’

হুগলি: সোমবার রাতে সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট প্রকাশ করা হয় নির্বাচন কমিশনারের পক্ষ থেকে। কিন্তু সেখানেও বিচারাধীনের গেড়ো কাটল না বেশ কিছু তৃণমূল প্রার্থীর। সেই তালিকায় রয়েছেন উত্তরপাড়ার তৃণমূল প্রার্থী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম।

এখনও শীর্ষণ্য বিচারাধীন রয়েছেন। আর সেই নিয়ে রাতের ঘুম উড়েছে প্রার্থীর। কী করে মনোনয়ন জমা দেবে সেই চিন্তাতেই দিন কাটছে তাঁর। এর আগে বাবার প্রচারে তাঁকে দেখা গেলেও প্রথম বারের জন্য নিজে প্রার্থী হয়েছেন শীর্ষণ্য। এতদিন আদালতে লড়াই করেছেন, তবে কি এইবার নিজের নাম ভোটার তালিকায় তুলতে নিজের জন্যই যেতে হবে আদালতে? উঠছে প্রশ্ন

উত্তরপাড়ার তৃণমূল প্রার্থী শীর্ষণ্য বলেন, “আমার নাম এখনো আন্ডার এডজুডিকেশনে রয়েছে। বাংলার হাজার-হাজার মানুষের মত আমারও চিন্তা তো রয়েই যাচ্ছে। এখনো মনোনয়ন দেরি আছে। তাই আশা করা যায় নাম চলে আসবে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন বিজেপির হয়ে এই যে মানসিক অত্যাচার করছে সেটা অমার্জনীয়।”

তিনি আরও বলেন, “এটা বিজেপি চক্রান্ত ওঁরা ভেবেছিলেন এটা করে ওঁদের দাবিটাকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন। এখানে অনেক রোহিঙ্গা মুসলমান আছে। কিন্তু সেটা যখন করতে পারেননি সর্বোপরি তার রেজাল্ট হল অনেক বৈধ ভোটারের নাম বাদ চলে গেল। হাজার হাজার মানুষ ঝুলে রইলেন। যদি এরকম ভাবেই চলতে থাকে তাহলে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে হয় রাস্তায় নামতে হবে। না হলে আদালতে যেতে হবে। আর আমি তো ২০০৫ থেকে টানা ভবানীপুর বিধানসভায় ভোট দিয়ে গেছি। আমি বাঁকুড়ার বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়ির ছেলে। আমাদের বাড়িতে ১০০ বছরের কালীপুজো হয়। সেখানে যদি আমাকে যদি প্রমাণ করতে হয় আমি রোহিঙ্গা মুসলমান কি না তাহলে সেই শাহরুখ খান বলেছিলেন না মাই নেম ইস খান আই অ্যাম নট আ টেররিস্ট। সেই রকম হয়ে গেল ব্যাপারটা, মাই নেম ইস বন্দ্যোপাধ্যায় অ্যান্ড আই অ্যাম নট মুসলিম’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *