ঘরের দেয়ালে টাঙানো ছবি কি বদলে দিতে পারে আপনার ভাগ্য? - 24 Ghanta Bangla News
Home

ঘরের দেয়ালে টাঙানো ছবি কি বদলে দিতে পারে আপনার ভাগ্য?

Spread the love

ঘরের দেয়ালে টাঙানো ছবি কি বদলে দিতে পারে আপনার ভাগ্য?

ঘরকে সুন্দর করে সাজাতে আমরা অনেকেই দেয়ালে শৌখিন পেইন্টিং, পারিবারিক ছবি বা দেব-দেবীর প্রতিকৃতি লাগিয়ে থাকি। কিন্তু আপনি কি জানেন, বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী এই ছবিগুলি আপনার ভাগ্য গড়ার বা বিগড়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে? ভুল দিকে লাগানো একটি ছবি সংসারে অশান্তি, আর্থিক অনটন এমনকি মানসিক উদ্বেগের কারণ হতে পারে। তাই দেয়ালে ছবি টাঙানোর আগে বাস্তুর এই নিয়মগুলি জেনে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

শ্রদ্ধাবশত অনেকেই প্রয়াত পূর্বপুরুষদের ছবি ঠাকুরঘরে বা যত্রতত্র লাগিয়ে ফেলেন। বাস্তু মতে এটি বড় ভুল। পূর্বপুরুষের ছবি সবসময় ঘরের দক্ষিণ দিকের দেয়ালে লাগানো উচিত। মনে রাখবেন, তাঁদের ছবি কখনোই ঠাকুরঘরে দেব-দেবীর মূর্তির সাথে রাখা উচিত নয়।

সংসারে ইতিবাচক শক্তি বজায় রাখতে দেব-দেবীর ছবি অত্যন্ত শুভ। তবে এর জন্য নির্দিষ্ট দিক রয়েছে। দেব-দেবীর মূর্তি বা ছবি সবসময় ঘরের উত্তর-পূর্ব কোণে (ঈশান কোণ) রাখা বা টাঙানো সবথেকে ভালো। এতে ঘরে সুখ-সমৃদ্ধি বজায় থাকে।

বসার ঘরে অনেকেই ঝরনা বা সমুদ্রের ছবি লাগাতে পছন্দ করেন। বাস্তু মতে, জল সংক্রান্ত ছবি সবসময় উত্তর বা পূর্ব দিকে থাকা উচিত। যদি ঝরনার ছবি দক্ষিণ দিকে লাগানো থাকে, তবে তা অহেতুক অর্থ ব্যয় এবং ক্যারিয়ারে অবনতির ইঙ্গিত দেয়। আরও একটি বিষয় খেয়াল রাখবেন— ছবির জলের প্রবাহ যেন ঘরের ভিতরের দিকে থাকে, বাইরের দিকে নয়।

পরিবারের সদস্যদের মধ্যে একতা ও ভালোবাসা অটুট রাখতে ছবির দিক নির্বাচন করা বাধ্যতামূলক। পরিবারের সবাই মিলে তোলা ‘গ্রুপ ফটো’ বা ছবি টাঙানোর সেরা জায়গা হলো দক্ষিণ-পশ্চিম দিক। এই দিকটি সম্পর্কের ভিত মজবুত করে। ভুলেও পারিবারিক ছবি উত্তর বা পূর্ব দিকের কোণে লাগাবেন না, এতে সদস্যদের মধ্যে মনোমালিন্য বাড়তে পারে।

ভুল করেও লাগাবেন না এই ধরণের ছবি!
বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, কিছু ছবি নেতিবাচক শক্তির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়ায়।

হিংস্র পশু (সিংহ, চিতা বা বাঘ)-এর ছবি।

যুদ্ধ বা লড়াইয়ের দৃশ্য।

কাঁটাযুক্ত গাছ বা শুকিয়ে যাওয়া গাছের ছবি। এই ধরণের ছবি মানসিক অশান্তি সৃষ্টি করে এবং জীবনে হতাশা ও পতনের প্রতীক হিসেবে গণ্য করা হয়।

ঘর সাজানোর সময় সামান্য এই সচেতনতা আপনার জীবনে বয়ে আনতে পারে অনাবিল শান্তি ও সমৃদ্ধি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *