Nandigram TMC Candidate: TMC কর্মীকে খুনের ঘটনায় জেল খেটেছিলেন, সেই পবিত্রকেই দল প্রার্থী করতেই কী বলল শহিদের পরিবার? - 24 Ghanta Bangla News
Home

Nandigram TMC Candidate: TMC কর্মীকে খুনের ঘটনায় জেল খেটেছিলেন, সেই পবিত্রকেই দল প্রার্থী করতেই কী বলল শহিদের পরিবার?

Spread the love

Nandigram TMC Candidate: TMC কর্মীকে খুনের ঘটনায় জেল খেটেছিলেন, সেই পবিত্রকেই দল প্রার্থী করতেই কী বলল শহিদের পরিবার?

নন্দীগ্রাম: একদিন আগেও যিনি বিজেপিতে ছিলেন, সেই পবিত্র করকে তৃণমূলে এনে খোদ শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে প্রার্থী করে চমকে দিয়েছিল তৃণমূল। কিন্তু, প্রার্থী হওয়ার পর থেকে এই পবিত্র বিরুদ্ধেই ওঠা একের পর এক অভিযোগ এখন প্রকাশ্যে আসছে। এক তৃণমূল কর্মীকে খুনের অভিযোগে নাম জড়িয়েছিল পবিত্রর। এবার তিনি আবার প্রার্থী। রবিন মান্নার পরিবারের নীরবতা হলদি নদীর পাড়ে ভোটের জলঘোলা করবে না তো! উঠছে সেই প্রশ্ন। এই নিয়ে মৃত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সদস্যরা কোনও মন্তব্যই করেননি ক্যামেরার সামনে। শুধু বললেন, “অন্য সময় হলে তাও ঠিক ছিল…এখন ভোটের আবহ…।” তবে কি আতঙ্ক-ভয় কাটেনি এখনও তাঁদেরই? উঠছে প্রশ্ন। এ দিকে, যাঁর বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ সেই পবিত্র গোটা বিষয়টি কোর্টের দিকেই ঠেলে দিয়েছেন।

২০২২ সালে নন্দীগ্রামের তৃণমূল কর্মী রবিন মান্না খুন হন বলে অভিযোগ। সেই ঘটনায় তৎকালীন বিজেপি নেতা ও বর্তমানে তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর গ্রেফতার হয়েছিলেন। সেই পবিত্রকে নিয়ে শাসকদল তৃণমূল সন্তুষ্ট হলেও আদৌ কি সন্তানহারা পরিবার  খুশি? সেই প্রশ্ন কিন্তু এই নির্বাচন আবহে উঠছে নন্দীগ্রামে।

সেই সময় ভোট পর্যায়ে নন্দীগ্রামের বয়ালে হামলায় জখম হয়েছিলেন তৃণমূল কর্মী রবীন্দ্রনাথ মান্না সহ তিনজন। অভিযোগ ওঠে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত হন রবীন্দ্রনাথ। তাঁর বুকে পিঠে গুরুতর চোট লাগে। প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় রবীনকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। টানা ১৪ দিন ধরে সেখানেই চলে লড়াই করেও শেষ রক্ষা হয়নি।

সেই বিষয়টি নিয়ে কম জলঘোলা ও হয়নি। সেই ঘটনায় গ্রেফতার হয়েছিলেন পবিত্র। বেশ কয়েকদিন জেলও খেটেছিলেন তিনি। বর্তমানে শিবির বদল করে সেই পুরোনো দল তৃণমূলে ফিরেছেন পবিত্র। কিন্তু যে পরিবারের মানুষের মৃত্যু হল, তাঁরা কী করবেন? যদিও এই আবহে মান্না পরিবারের সদস্যরা কোনও কিছুই বলতে চাননি টিভি ৯ বাংলার ক্যামেরায় সামনে।

তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র জানা বলেন, “আমি প্রথম দিনই একটা কথা বলেছিলাম, অন্যান্য বিধানসভার তুলনায় নন্দীগ্রামে প্রচুর মামলা রয়েছে। রাজনৈতিক মিথ্যা মামলা রয়েছে। তাঁর অবসান ঘটানো প্রয়োজন। দল মত নির্বিশেষে এই মামলাগুলির নিষ্পত্তি প্রয়োজন। সেই বাম আমল থেকে কত মিথ্যা মামলা চলছে…আজ দেখলে কষ্ট হয় ৮০ বছরের বৃদ্ধারা নদী পেরিয়ে কোর্টে যাচ্ছেন। এর পরিবর্তন ও স্থায়ী সমাধানের প্রয়োজন। যদি ক্ষমতায় আমরা আসি, কীভাবে এই মিথ্যা মামলাগুলির নিষ্পত্তি ঘটানো যায় তার এজেন্ডা আমার কাছে থাকবে।” তবে কি তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মিথ্যে? এর উত্তর খানিক ঘুরিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী। বললেন, “কোনটা মিথ্যা কোনটা সত্যি সেটা কোর্ট দেখবে। মিথ্যা হলে নিশ্চয়ই বেকসুর খালাস পাব।” তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক ২ সভাপতি রবিন জানা বলেন, “তৃণমূল কাকে প্রার্থী করবে সেটা তৃণমূলের ব্য়াপার। বিজেপির ভয় এসে গিয়েছে। শুভেন্দু ভয় পেয়েছেন। তাই আতঙ্কে এইসব বলছিলেন। আর কে জেল খেটেছে সেটা আদালত দেখবে। আদালতের বিচারাধীন।”

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *