Paschim Medinipur: শিক্ষকের চেয়ার ফাঁকা, স্কুলে এসেও ফিরে যেতে হচ্ছে পড়ুয়াদের - 24 Ghanta Bangla News
Home

Paschim Medinipur: শিক্ষকের চেয়ার ফাঁকা, স্কুলে এসেও ফিরে যেতে হচ্ছে পড়ুয়াদের

Spread the love

Paschim Medinipur: শিক্ষকের চেয়ার ফাঁকা, স্কুলে এসেও ফিরে যেতে হচ্ছে পড়ুয়াদের

ঘাটাল: সময়মতো স্কুলে আসছে পড়ুয়ারা। ক্লাসে গিয়ে বসছে। তারপর ফিরে যাচ্ছে বাড়ি। একদিন নয়। গত ১৫ দিন ধরেই এই ছবি পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালের একটি স্কুলের। কিন্তু, কেন? আর এই কেন-র উত্তর খুঁজতে গিয়েই স্কুলে শিক্ষকের অভাবের ছবি সামনে আসছে। একমাত্র শিক্ষক মাতৃত্বকালীন ছুটিতে চলে যাওয়ায় এমন সমস্যায় পড়েছে ঘাটাল ব্লকের বিদ্যাসাগর চক্রের ইড়পালা মুণ্ডুতলা প্রাথমিক বিদ্যালয়।    

রাজ্যের বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ুয়া না থাকার কথা শোনা যায়। কিন্তু, ইড়পালা মুণ্ডুতলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩০-৪০ জন পড়ুয়া রয়েছে। আর বিদ্যালয়ে একজন শিক্ষিকা। মাতৃত্বকালীন ছুটির কারণে তিনি বর্তমানে অনুপস্থিত। স্কুলে কোনও অস্থায়ী শিক্ষকও নেই। ফলে স্কুলের ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা প্রতিদিন সময়মতো স্কুলে এলেও ক্লাস করতে পারছে না। পড়ুয়ারা বলছে, স্কুলে এসে তারা শুধু কিছুক্ষণ বসে থাকে। শিক্ষক না থাকায় তাদের বাড়ি ফিরে যেতে হয়। স্কুলের তালা খোলা ও বন্ধের জন্য গ্রামেরই একজন সদস্য সাহায্য করছেন।

পঠনপাঠন বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন অভিভাবকরা। এই নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তাঁরা। দ্রুত শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন। শিক্ষিকা অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি স্কুল পরিদর্শক (SI) দফতরকে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে জানানো হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। কিন্তু বিকল্প কোনও শিক্ষকের ব্যবস্থা করা হয়নি।

এ বিষয়ে এলাকার স্কুল পরিদর্শক বহ্নিশিখা দে-কে ফোন করা হলে সমস্যার কথা স্বীকার করে নেন তিনি। বলেন, “ওই স্কুলে একজন শিক্ষককে ডেপুটেশনে দেওয়া হয়েছিল। তিনি যোগ দেননি। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।”

স্কুলের এমন পরিস্থিতি নিয়ে শাসকদলকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন ঘাটালের বিজেপি বিধায়ক শীতল কপাট। তিনি বলেন, “পশ্চিমবাংলার প্রান্তে প্রান্তে স্কুল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আমরা এসডিও, বিডিও-কে বলেছি। কিন্তু, গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। আর, দিকে দিকে মদের দোকান খোলার লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছে।”

ঘাটাল পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি বিকাশ কর ঘটনার কথা স্বীকার করে বলেন, “আমরা ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি সকলের কাছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে, যাতে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ হয় স্কুলে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *