Malda: ‘বাড়িতে এসে হুমকি’, SIR-র শেষ লগ্নে মৃত্যু BLO-র - 24 Ghanta Bangla News
Home

Malda: ‘বাড়িতে এসে হুমকি’, SIR-র শেষ লগ্নে মৃত্যু BLO-র

Spread the love

Malda: ‘বাড়িতে এসে হুমকি’, SIR-র শেষ লগ্নে মৃত্যু BLO-র

মালদহ: চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু, অমীমাংসিতের তালিকায় রয়েছে ৬০ লক্ষের নাম। আর এই অমীমাংসিতের তালিকা নিয়ে রাজনৈতিক তরজা বাড়ছে। এই আবহে রাজ্যে আরও এক বিএলও-র মৃত্যু হল। এসআইআর নিয়ে প্রচণ্ড চাপে আবুল বরকত নামে ওই বিএলও-র মৃত্যু হয়েছে বলে পরিবারের অভিযোগ। মৃত ওই বিএলও-র বাড়ি মালদহের সুজাপুরে। বিএলও-র মৃত্যুকে ঘিরে পরস্পরকে দোষারোপ করল তৃণমূল ও বিজেপি।    

শুক্রবার ভোররাতে অসুস্থ হয়ে পড়েন আবুল বরকত নামে ওই স্কুল শিক্ষক। সকালে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি সুজাপুর বিধানসভার বামুনগ্রাম ১৫৩ নম্বর বুথের বিএলও ছিলেন। তাঁর বুথে ৫৭৯ জনের নাম বিচারাধীন এসেছে। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, অমীমাংসিতদের ডকুমেন্টস কিভাবে বিচারকদের বোঝাবেন, সেই নিয়ে চাপে ছিলেন তিনি। সারারাত কাজ করতে হত তাঁকে। এমনকি যাঁদের নাম বিচারাধীন রয়েছে, তাঁরা বাড়িতে এসেও হুমকি দিতেন বলে অভিযোগ।

মৃত বিএলও-র ছেলে হাসিব আক্তার বলেন, “এসআইআর-র কাজ নিয়ে বাবার উপর প্রচণ্ড চাপ ছিল। যাদের ডকুমেন্ট নেই, তাদের অত্যাচার। বাবাকে আমিও সাহায্য করতাম। আমি রাত দেড়টায় ঘুমোতাম। তখনও দেখতাম, বাবা জেগে কাজ করছেন। সকাল-সন্ধ্যা মানুষ কার্যত হুমকি দিতেন। আমাদের কবে হবে? কখন হবে? এর ফলে প্রচণ্ড চাপে ছিলেন বাবা। আমার বাবার মৃত্যুর জন্য কমিশন দায়ী।”

বিএলও-র মৃত্যু জন্য কমিশন ও বিজেপিকে তুলোধনা করল তৃণমূল। মালদহ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র শুভময় বসু বলেন, “যে কাজটা ২ বছরে করার কথা, সেটা ২-৩ মাসে করতে হওয়ায় মানসিক চাপ বেড়েছে। অমীমাংসিতের তালিকায় অনেকের নাম থাকায় স্বাভাবিকভাবে সাধারণ মানুষ তাঁর কাছে এসে জানতে চেয়েছেন। সবকিছু ঠিকঠাক করতে হবে বলে প্রশাসনিক চাপও রয়েছে। এই মৃত্যুর দায় বিজেপিকে নিতে হবে। জ্ঞানেশ কুমার আর নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে।”

পাল্টা তৃণমূলকে তোপ দেগে বিজেপির দক্ষিণ মালদহের সাধারণ সম্পাদক নীলাঞ্জন দাস বলেন, “প্রত্যেক মৃত্যুই দুর্ভাগ্যজনক। তৃণমূল কংগ্রেস বলছে, এই মৃত্যুর জন্য দায়ী নাকি বিজেপি। কিন্তু, এই মৃত্যুর জন্য কেউ যদি দায়ী থাকে, তা একমাত্র তৃণমূল কংগ্রেস। প্রথম থেকে নির্বাচন কমিশনকে অসহযোগিতা করে আসছে তৃণমূল। ডেটা এন্ট্রি অপারেটর থেকে আধিকারিক পর্যন্ত যাদের দেওয়ার কথা ছিল, পর্যাপ্ত দেয়নি। যাদের দিয়ে ডেটা এন্ট্রি করিয়েছে, তারা প্রশিক্ষিত নন। ফলে বিএলও-দের উপর চাপ বেড়েছে। তাই, চাপের কারণে মৃত্যু হলে তৃণমূলই দায়ী।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *