Mahua Moitra: মন্ত্রী ঘনিষ্ঠের বিরুদ্ধে মেয়েদের নিয়ে ব্যবসার অভিযোগ তুললেন মহুয়া? ভাইরাল অডিয়ো ঘিরে ‘ফিসফাস’ তৃণমূলে - 24 Ghanta Bangla News
Home

Mahua Moitra: মন্ত্রী ঘনিষ্ঠের বিরুদ্ধে মেয়েদের নিয়ে ব্যবসার অভিযোগ তুললেন মহুয়া? ভাইরাল অডিয়ো ঘিরে ‘ফিসফাস’ তৃণমূলে

Spread the love

Mahua Moitra: মন্ত্রী ঘনিষ্ঠের বিরুদ্ধে মেয়েদের নিয়ে ব্যবসার অভিযোগ তুললেন মহুয়া? ভাইরাল অডিয়ো ঘিরে ‘ফিসফাস’ তৃণমূলে

নদিয়া: মেয়েদের নিয়ে ব্যবসা, অভিযোগ উঠছে আবাস যোজনা নিয়েও — দলেরই অন্য নেতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের? সমাজমাধ্য়মে ভাইরাল হল সেই অভিযোগ-অনুযোগের অডিয়ো। গলা শুনে একাংশ বললেন, “এটা মহুয়া মৈত্র।” যদিও টিভি৯ বাংলা সেই অডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি। তবে সংশ্লিষ্ট অডিয়ো ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক তরজা আপাতত তুঙ্গে।

কৃষ্ণনগর দক্ষিণের বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস। এলাকায় তাঁর ঘনিষ্ঠ হিসাবেই পরিচিত কৃষ্ণনগর ২নং ব্লকের তৃণমূল সভাপতি সঞ্জয় মুখোপাধ্য়ায়। এবার ভাইরাল অডিয়ো সেই মন্ত্রী ঘনিষ্ঠের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুললেন মহুয়া মৈত্র। অন্তত গলা শুনে তো মহুয়াকে চিহ্নিত করছে রাজনৈতিক মহল। তিনি সাফ বলে দিলেন, “ভোটের আগে এগুলো বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।”

ঠিক কী অভিযোগ সাংসদের?

ওই ভাইরাল অডিয়ো ক্লিপে শোনা গিয়েছে মহুয়া বলছেন, “হাইওয়ের পাশে হোটেলে মেয়েদের নিয়ে ব্যবসা চলছে। সেখানে পার্টির লোক টাকা নিচ্ছে। জুয়ার ঠেক বসছে, দলের লোকেরা টাকা খাচ্ছে। ধান কেনা নিয়ে নোংরামি হচ্ছে, আবাস যোজনা থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ করছেন অনেকেই, এগুলো এখনই বন্ধ করা প্রয়োজন।” তিনি আরও বলেন, “সঞ্জয় বাবুর শ্যালক তন্ময় মুখোপাধ্য়ায়, এই সবের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।”

তবে এই গলা কি আদৌ মহুয়ার? সেটা জানতেই টিভি৯ বাংলার তরফে ফোন করা হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু মেলেনি কোনও উত্তর। অবশ্য দলের একাংশের মতে, ভাইরাল অডিয়োর মধ্যে দিয়ে সতর্কবার্তা দিচ্ছেন সাংসদ। যদিও এই সব অভিযোগ মানতে নারাজ ব্লক সভাপতি। তাঁর সাফ কথা, “উনি আমার জেলার সভানেত্রী। অনেক বড় মাপের মানুষ। ৪৬ বছর রাজনীতি করছি। কারওর ক্ষমতা নেই, আমার গায়ে কালির একটা দাগ দিতে পারে।”

মহুয়াকে পাল্টা কাঠগড়ায় টেনে ব্লক সভাপতিকে ‘ভালো ছেলের’ সার্টিফিকেট দিয়েছেন মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস। তাঁর দাবি, “সঞ্জয় ভালো ছেলে, স্কুল মাস্টার ছিল। ওর সম্পর্কে এই সব কথা মানতে পারব না। এখন যে যার নামে মনমর্জি মতো বলতে পারে। যিনি বলছেন, তাঁর নামেও কেউ বলতে পারেন। কিন্তু এসব ঠিক নয়।” জেলার দলীয় সাংগঠনিক সভাপতি রুকবানুর রহমানের আবার দাবি, “আমি কোনও সত্যতা পাইনি। তবে এই ধরনের অভিযোগ যদি সত্যি হয়ে থাকে, তা হলে দল উচিত পদক্ষেপ করবে।”

ভোটের আগে তৃণমূলের অন্দরে ভাইরাল অডিয়ো নিয়ে ‘ফিসফাস’ হতে দেখে সরব হয়েছে বিজেপি। রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, “তৃণমূলের চুরি মহুয়া মৈত্রও আর সামাল দিতে পারছেন না। আর তিনিও এসব নিয়ন্ত্রণ করবেনই বা কীভাবে? তিনিও তো একই দলে সামিল। তাঁকে তো দল প্রশ্ন করে দিতে পারে, তিনি কীভাবে শিল্পপতির থেকে টাকা নিয়ে সংসদে প্রশ্ন করেন।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *