Jalpaiguri: ফোনে টুং করে মেসেজ, অ্যাকাউন্টে ১৫০০ টাকা ঢুকতেই মোদী-দর্শনের ইচ্ছাপূরণ গোপালের! বদলাতে পারে জীবন - 24 Ghanta Bangla News
Home

Jalpaiguri: ফোনে টুং করে মেসেজ, অ্যাকাউন্টে ১৫০০ টাকা ঢুকতেই মোদী-দর্শনের ইচ্ছাপূরণ গোপালের! বদলাতে পারে জীবন

Spread the love

Jalpaiguri: ফোনে টুং করে মেসেজ, অ্যাকাউন্টে ১৫০০ টাকা ঢুকতেই মোদী-দর্শনের ইচ্ছাপূরণ গোপালের! বদলাতে পারে জীবন

জলপাইগুড়ি: পড়াশোনাটা করেছেন অনেক কষ্ট করেই করেছেন। ভেবেছিলেন একটা চাকরি করে কোনওভাবে সংসারের হালটা ধরবেন। কিন্তু সেভাবে কোনও চাকরিই জোটেনি কপালে। এলাকাতেই ছোটখাটো কাজ করেন। এবারের রাজ্য সরকারের অন্তবর্তীকালীন বাজেটে যখন যুব সাথী প্রকল্পের কথা ঘোষণা করে, তখন বাকিদের মতো তিনিও ফর্ম ফিলাপ করেছিলেন। অন্ততপক্ষে পড়ে পাওয়া চোদ্দো আনা তো পকেটে আসবে! তিনিই ফর্ম ফিলাপ করেন, সময়মতো অ্য়াকাউন্টে ঢুকে যায় টাকাও। কিন্তু মনেপ্রাণে তিনি বিজেপি সমর্থক। তাই বাংলায় যখন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং আসছেন, তাঁকে সামনে থেকে দেখার সুযোগ হাতছাড়া করতে চাননি জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ বিধানসভার টাকিমারী গ্রাম পঞ্চায়েতের গোপাল দাস।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে কলকাতায় তো আসবেন। কিন্তু গাড়ি ভাড়়া পাবেন কোথা থেকে? ভরসা আবার সেই যুবসাথী প্রকল্পের টাকাতেই। নিজেই জানালেন মোদীকে দেখার জন্য ব্রিগেডে আসার তাঁর ইচ্ছা ছিল। কিন্তু তাঁর কাছে টাকা ছিল না। যুবসাথী প্রকল্পের দেড় হাজার টাকা ঢুকতেই তিনি গাড়ির টিকিট কেটে ফেলেন। শুক্রবার সন্ধ্যাতেই রাজগঞ্জ থেকে রওনা দিয়ে দেন কলকাতার উদ্দেশে। প্রসঙ্গত, শনিবার ব্রিগেডে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভা।

গোপালের বক্তব্য, “বাংলার যুবকদের কাজ নেই। তাই পরিবর্তন দরকার। রাজ্যে ডাবল ইঞ্জিনের সরকার হলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এই ভাতার টাকা কী হবে, দেড় হাজার টাকায় কী চলে! যা জিনিসের দাম!” আবার গোপাল নিজে এটাও স্বীকার করেন, “টাকা ছিল না। বেকার ভাতাটা ঢুকতেই টিকিট কাটতে পেরেছি। মোদীজীকে সামনে থেকে দেখব।”

যুবকের এই মন্তব্য শুনে তৃণমূলের বল্ক সভাপতি অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলমত নির্বিশেষে সকলের জন্য কাজ করেন, এটা আরও একবার প্রমাণ হল। কিন্তু বিষয়টা হল মোদীকে দেখলে চাকরি পাওয়া যাবে না। গোপাল দাসকে ওই টাকা দেওয়া হচ্ছে, যাতে কোনও কোচিং সেন্টারে ভর্তি হয়ে চাকরির পড়া করে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *