দুই বেড থেকে আধুনিক আই কেয়ার, ‘অস্মি সেভ দ্য সাইট ফাউন্ডেশন’কে সম্মান জানাল Tv9Bangla Brands Of Bengal - 24 Ghanta Bangla News
Home

দুই বেড থেকে আধুনিক আই কেয়ার, ‘অস্মি সেভ দ্য সাইট ফাউন্ডেশন’কে সম্মান জানাল Tv9Bangla Brands Of Bengal

Spread the love

দুই বেড থেকে আধুনিক আই কেয়ার, ‘অস্মি সেভ দ্য সাইট ফাউন্ডেশন’কে সম্মান জানাল Tv9Bangla Brands Of Bengal

টিভি নাইন বাংলার ‘ব্র্যান্ডস অফ বেঙ্গল’ (Brands Of Bengal) অনুষ্ঠানে সম্প্রতি সম্মানিত করা হল ‘অস্মি- সেভ দ্য সাইট ফাউন্ডেশন’-কে। মাত্র দুটি বেড নিয়ে পথ চলা শুরু করা একটি ছোট উদ্যোগ কীভাবে আজ চোখের চিকিৎসায় এক বিশাল মহীরুহে পরিণত হয়েছে, সেই যাত্রা যেন স্বপ্নের মতো। কীভাবে এল এই সাফল্য?

২০০৭ সালে অত্যন্ত ক্ষুদ্র পরিসরে মাত্র দুটি বেড নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল ‘অস্মি আই ফাউন্ডেশন’। দীর্ঘ পথ পেরিয়ে, সফল পরিষেবা ও অভিজ্ঞতার হাত ধরে ২০২২ সালে তারা আত্মপ্রকাশ করে ‘অস্মি সেভ দ্য সাইট ফাউন্ডেশন’ নামে। বর্তমানে এই সংস্থাটি চোখের চিকিৎসার জগতে এক নির্ভরযোগ্য নাম হয়ে উঠেছে। এই অসাধারণ যাত্রার স্বীকৃতি স্বরূপ সম্প্রতি একটি বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয় তাদের।

এই Brands Of Bengal (1)

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার ডিরেক্টর ডক্টর পঙ্কজ রুপালিয়া এবং ডক্টর সঙ্ঘমিত্রা রায়। এই ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন চেন্নাইয়ের শঙ্কর নেত্রালয়, দিল্লির এইমস (AIIMS) এবং কলকাতার আরআইও (RIO)-র মতো নামী প্রতিষ্ঠানের বিশিষ্ট চক্ষু বিশেষজ্ঞরা। অনুষ্ঠানে অভিনেতা আবির চট্টোপাধ্যায় এবং অভিনেত্রী মনামি ঘোষের উপস্থিতিতে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে ডক্টর অসীম কুমার কান্ডার বর্তমানে আমাদের অতিমাত্রায় স্ক্রিন নির্ভরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি একে একটি ‘প্যান্ডেমিক’ বা অতিমারীর সঙ্গে তুলনা করেছেন। তাঁর মতে, ডিজিটাল আই স্ট্রেন, এক বছরের শিশু থেকে শুরু করে ৮১ বছরের বৃদ্ধ— সবাই এখন স্মার্টফোন ও ডিজিটাল ডিভাইসে আসক্ত। বেশিক্ষণ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার ফলে চোখের পলক পড়ার হার কমে যায়, ফলে চোখ শুকিয়ে যাওয়ার (Dry Eye) সমস্যা তৈরি হয়। মোবাইল বা ল্যাপটপের নীল আলো শিশুদের ‘মেলাটোনিন’ হরমোনের ক্ষতি করে, যা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় এবং মানসিক একাগ্রতা কমিয়ে দেয়।

ডাক্তার কান্ডার কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেন,
১. সঠিক দেহভঙ্গি: ডিভাইস ব্যবহারের সময় সঠিক পশ্চার বা বসার ভঙ্গি বজায় রাখা।
২. অন্ধকারে মোবাইল নয়: অন্ধকার ঘরে মোবাইলের ব্যবহার এড়িয়ে চলা।
৩. বিরতি নেওয়া: একটানা কাজ না করে প্রতি আধ ঘণ্টা অন্তর বিরতি নেওয়া এবং অন্তত ২০ ফুট দূরের কোনও জিনিসের দিকে তাকিয়ে চোখকে বিশ্রাম দেওয়া।

সাধ্যের মধ্যে আধুনিক পরিষেবা
সংস্থার অন্যতম চ্যালেঞ্জ হলো উন্নত মানের চিকিৎসা পরিষেবা সাধারণ মানুষের সাধ্যের মধ্যে পৌঁছে দেওয়া। অত্যাধুনিক ডায়াগনস্টিক মেশিন এবং মডার্ন টেকনোলজির সমন্বয়ে তারা ‘কম্প্রিহেন্সিভ আই কেয়ার’ বা চোখের যাবতীয় সমস্যার সমাধান এক ছাদের নিচে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

“দৃষ্টি ফিরে পাওয়া মানেই জীবন ফিরে পাওয়া”— এই মন্ত্রকে সামনে রেখেই অস্মি সেভ দ্য সাইট ফাউন্ডেশন তাদের আগামীর পথে এগিয়ে চলেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *