৩০ বছরেই আকাশছোঁয়া সাফল্যের যোগ কাদের? - 24 Ghanta Bangla News
Home

৩০ বছরেই আকাশছোঁয়া সাফল্যের যোগ কাদের?

Spread the love

৩০ বছরেই আকাশছোঁয়া সাফল্যের যোগ কাদের?

জীবনে সফল হতে কে না চায়? কেউ কেউ খুব অল্প বয়সেই সাফল্যের সিঁড়ি চড়ে ফেলেন, আবার কারও ভাগ্যের চাকা ঘোরে একটু বেশি বয়সে। বিশেষ করে ৩০ বছর বয়সটা অনেকের কাছেই একটা মাইলফলক। কিন্তু আপনি কি জানেন, আপনার হাতের তালুতেই খোদাই করা থাকতে পারে আপনার বিশ্বখ্যাত হওয়ার রহস্য—কিংবা লুকিয়ে থাকতে পারে কোনও বড়সড় পতনের সংকেত? সমুদ্রশাস্ত্র বা হস্তরেখাবিদ্যা অন্তত তেমনটাই দাবি করছে।

হস্তরেখাবিদদের মতে, আমাদের হাতের তালুর রেখাতেই লুকিয়ে থাকে আগামী জীবনের উজ্জ্বল বা অন্ধকার অধ্যায়। বিশেষ করে হাতের তালুতে অনামিকা বা রিং ফিঙ্গারের ঠিক নিচে, যাকে আমরা রবির পর্বত (Sun Mount) বলি, সেখানে যদি বিশেষ কিছু চিহ্ন থাকে, তবে ৩০ বছর বয়সের পর সেই ব্যক্তির জীবন আমূল বদলে যেতে পারে।

৩০ বছরেই আকাশছোঁয়া সাফল্যের যোগ

রবির স্থান হল মান-সম্মান, যশ এবং প্রতিপত্তির কারক। রবির ক্ষেত্রে যদি একটি পরিষ্কার খাড়া রেখা থাকে তবে সেটি অত্যন্ত শুভ বলে গণ্য করা হয়। গবেষণালব্ধ তথ্য অনুযায়ী, ৩০ বছর বয়সের আশেপাশে এই রেখাগুলি যখন সক্রিয় হয়ে ওঠে, তাহলে বিখ্যাত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে। একে জ্যোতিষশাস্ত্রে ‘রাজযোগের’ সমান মনে করা হয়। এই সময় থেকেই সৃজনশীল কাজ, ব্যবসা বা এমনকি রাজনীতির মাধ্যমেও ব্যক্তি খ্যাতির শিখরে পৌঁছাতে পারেন।

মুদ্রার উল্টো পিঠে লুকিয়ে কুখ্যাতি

তবে মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। সমুদ্রশাস্ত্রে বলা হয়, রবির পর্বত যদি খুব বেশি নিচু বা বসা হয় এবং সেখানে যদি কোনও ‘তিল’ বা ‘জাল চিহ্ন’ থাকে, তবে সেই ব্যক্তির সামাজিক সম্মানহানির প্রবল সম্ভাবনা থাকে। বিশেষ করে যদি কোনও রেখা রবি পর্বতকে আড়াআড়িভাবে কেটে দেয়, তবে তা আইনি জটিলতা বা কেলেঙ্কারির ইঙ্গিত দেয়।

শনির ক্ষেত্রটি (মধ্যমার নিচে) বিচার করা হয় ধৈর্য এবং কর্মফলের জন্য। যদি এখানে কোনও অশুভ ক্রস চিহ্ন থাকে, তবে সেই ব্যক্তি ভুল পথে চালিত হয়ে দুর্নাম কুড়োতে পারেন। ৩০ বছরের পর যখন কেরিয়ার তুঙ্গে থাকার কথা, তখনই হঠাৎ কোনও স্ক্যান্ডাল বা গোপন তথ্য প্রকাশ্যে চলে আসার ফলে জীবনে কলঙ্কের যোগ তৈরি হতে পারে।

কর্ম না কি ভাগ্য?

হস্তরেখাবিদ্যা অনুযায়ী, কর্ম এবং ভাগ্য একে অপরের পরিপূরক। হাতের রেখা হয়তো সুযোগ বা বিপদের ইঙ্গিত দেয়, কিন্তু সেই সুযোগকে কাজে লাগানো বা বিপদ এড়ানো নির্ভর করে আপনার পরিশ্রম ও সতর্কতার ওপর। যাঁদের হাতে অশুভ চিহ্ন রয়েছে, তাঁরা হঠকারী সিদ্ধান্ত না নিলে এই সমস্যা থেকে নিস্তার পেতে পারেন। আবার শুভ রেখা থাকলেও অলস ভাবে বসে থাকলে সাফল্য ধরা দেবে না।
মনে রাখবেন, আলো যেখানে থাকে, অন্ধকারও সেখানেই ওত পেতে থাকে। তাই সাফল্যের রেখা দেখার পাশাপাশি নিজের হাতের ছোটখাটো ত্রুটিগুলোকেও অবহেলা করবেন না। সঠিক সময়ে সতর্ক হলে হয়তো বড় কোনও বিপদ থেকে বেঁচে যেতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *