Gas Crisis : ২৫ দিনের আগে গ্যাস বুকিং নয়, কী কী সমস্যায় পড়তে হচ্ছে আমজনতাকে ? - 24 Ghanta Bangla News
Home

Gas Crisis : ২৫ দিনের আগে গ্যাস বুকিং নয়, কী কী সমস্যায় পড়তে হচ্ছে আমজনতাকে ?

Spread the love

Gas Crisis : ২৫ দিনের আগে গ্যাস বুকিং নয়, কী কী সমস্যায় পড়তে হচ্ছে আমজনতাকে ?

নয়া দিল্লি : পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ আগুন জ্বালিয়েছে আমজনতার রান্নাঘরে। গ্যাসের দাম তো বেড়েছেই। কিন্তু, সবথেকে বেশি সমস্যা হচ্ছে গ্যাস বুকিং নিয়ে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার নির্দেশ দিয়েছে, ২৫ দিনের আগে গ্যাস বুক করা যাবে না। এর আগে নির্দেশিকায় ২১ দিনের উল্লেখ করা হয়েছিল। পরে সেই সময়সীমা বাড়িয়ে ২৫ দিন করেছে কেন্দ্র। অর্থাৎ একটা গ্যাস বুক করার ২৫ দিনের মধ্যে আর কোনও গ্যাস বুক করতে পারবেন না গ্রাহকরা। কেন্দ্রের এই নির্দেশে সমস্যার মুখে পড়েছেন আমজনতা।

কী কী সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে?

সবথেকে বেশি সমস্যায় পড়েছেন যৌথ পরিবারের মানুষরা। পরিবারে ৮ বা ১০ জন সদস্য। দুই বেলা রান্না হয়। গ্যাস এক মাসও যায় না। এরকমও দেখা গিয়েছে ২০-২২ দিনেই গ্যাস শেষ হয়ে যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে একটা গ্যাস বুক করার ১৭ দিন পর আরেকটা গ্যাস বুক করার প্রয়োজন হয়। সেক্ষেত্রে, বুকিংয়ের সময়সীমা ২১ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন করায় আরও সমস্যা হয়েছে।

ছোট পরিবারগুলিও সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। হয়তো কোনও পরিবারে ৩০ দিন গ্যাস যায়। ধরুন আপনি গ্যাস বুক করার ২৫ দিন পর আরেকটা গ্যাস বুক করলেন। এদিকে, আপনার আগের সিলিন্ডারটা হয়তো আর ৫ দিন যাবে। কিন্তু, অনেক সময় দেখা যাচ্ছে, গ্যাস ডেলিভারি দেওয়া হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ দিন পর। সেক্ষেত্রে একটা সমস্যা তৈরি হচ্ছে।

বহু গ্রাহক এমন রয়েছেন যাঁদের কাছে একটা সিলিন্ডারের কানেকশন রয়েছে। তাঁরা সাধারণত গ্যাস শেষ না হওয়া পর্যন্ত গ্যাস বুক করতে পারে না। সেক্ষেত্রে কারও গ্যাস যদি বুকিংয়ের ২০ দিনের মধ্যে শেষ হয়ে যায়, তাহলে তাঁদের আরও ৫ দিন অপেক্ষার পর ২৫ দিনের মাথায় আরেকটা গ্যাস বুক করতে হবে। তারও ১৫-২০ দিন পর গ্যাস পাবেন গ্রাহকরা।

২১ দিন থেকে বাড়িয়ে কেন ২৫ দিন করা হল?

  • কালোবাজারি রুখতে কেন্দ্র এই পদক্ষেপ নিয়েছে।
  • প্রয়োজনের তুলনায় বেশি গ্যাস যাতে মজুত না করা হয়, তা নিশ্চিত করতেই পদক্ষেপ
    প্যানিক বুকিং রুখতে সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। দেখা গিয়েছে, যেখানে গ্রাহকরা ৫৫ দিন পর বুকিং করতেন, সেখানে ১৫ দিন পরেই গ্যাস বুকিংয়ের প্রবণতা দেখা গিয়েছে।

গ্যাস সরবরাহ নিয়ে কেন্দ্র একটি নির্দেশিকা জারি করেছে। নির্দেশিকাগুলি একনজরে দেখে নেওয়া যাক

  • সিএনজি ও পাইপে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ
  • গুরুত্ব বিবেচনা করে চারটি ক্ষেত্র চিহ্নিত করেছে কেন্দ্র
  • রান্না ও পরিবহনে গ্যাস সরবরাহ থাকবে ১০০ শতাংশ
  • সার কারখানায় সরবরাহ করা হবে ৭০ শতাংশ গ্যাস
  • চা শিল্পে সরবরাহ করা হবে ৮০ শতাংশ গ্যাস
  • অন্যান্য শিল্প ও বাণিজ্যিক গ্যাস সরবরাহ হবে ৮০ শতাংশ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *