Rajya Sabha election: সাংসদের শংসাপত্র পেয়েই পরবর্তী লক্ষ্য জানিয়ে দিলেন কোয়েল-বাবুল-রাজীব-রাহুল, কে কী বললেন? - 24 Ghanta Bangla News
Home

Rajya Sabha election: সাংসদের শংসাপত্র পেয়েই পরবর্তী লক্ষ্য জানিয়ে দিলেন কোয়েল-বাবুল-রাজীব-রাহুল, কে কী বললেন?

Rajya Sabha election: সাংসদের শংসাপত্র পেয়েই পরবর্তী লক্ষ্য জানিয়ে দিলেন কোয়েল-বাবুল-রাজীব-রাহুল, কে কী বললেন?

কলকাতা: পাঁচটি আসন। মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন পাঁচজনই। ফলে ভোটাভুটি যে হবে না, তা নিশ্চিত ছিল। সেই মতো ভোটাভুটি ছাড়াই রাজ্যসভা নির্বাচনে বাংলা থেকে ৫ সাংসদ নির্বাচিত হলেন। তৃণমূলের চারজন। আর বিজেপির একজন। তৃণমূলের হয়ে রাজ্যসভায় পা রাখছেন বাবুল সুপ্রিয়, রাজীব কুমার, মেনকা গুরুস্বামী এবং কোয়েল মল্লিক। আর বিজেপির হয়ে রাজ্যসভায় যাচ্ছেন রাহুল সিনহা। বাবুল ছাড়া বাকি চারজন প্রথমবার সংসদে সাংসদ হিসেবে পা রাখবেন। আর সোমবার সাংসদের শংসাপত্র হাতে পাওয়ার পরই কোয়েল, বাবুল, রাজীব কুমার, রাহুল সিনহারা তাঁদের লক্ষ্যের কথা জানিয়ে দিলেন। কে কী বললেন?

এদিন বিধানসভায় এসে রিটার্নিং অফিসারের কাছ থেকে জয়ীর শংসাপত্র নেন চার প্রার্থী। শুধু আসতে পারেননি তৃণমূলের মেনকা গুরুস্বামী। তাঁর হয়ে শংসাপত্র গ্রহণ করেন অরূপ বিশ্বাস। এদিন রিটার্নিং অফিসারের ঘরে আরও একটি দৃশ্য দেখা গেল। করমর্দন করলেন বাবুল ও রাহুল। ঘটনাচক্রে, বাবুল সুপ্রিয় বিজেপিতে যোগদানের সময় রাজ্য বিজেপি সভাপতি ছিলেন রাহুল সিনহা।

Tmc Leaders Rajya Sabha Election

মেনকা গুরুস্বামী ছাড়া বাকি চার জনই শংসাপত্র গ্রহণ করেই তাঁদের লক্ষ্যের কথা জানিয়ে দিলেন। এদিন হাসি মুখে জয়ী চিহ্ন দেখান কোয়েল। তারপর বলেন, “আমি সবার ভালোবাসা ও আশীর্বাদ চাই। রাজ্যের হয়ে সংসদে কাজ করতে চাই।” আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের হয়ে প্রচারে তাঁকে দেখা যাবে কি না প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “অবশ্যই প্রচারে দেখা যাবে।”

সংবাদমাধ্যমের সামনে খুব বেশি কথা বলতে দেখা যায় না রাজ্যের প্রাক্তন ডিজিপি রাজীব কুমারকে। এদিন তিনিও শংসাপত্র হাতে নিয়ে ভিক্টরি সাইন দেখালেন। তারপর বললেন, “বড় সম্মান এবং বড় দায়িত্ব। আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।”

Rahul Sinha

বাবুল সুপ্রিয়র রাজ্যসভায় যাওয়া নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরেই নানা জল্পনা চলছিল। এদিন জয়ীর শংসাপত্র হাতে নিয়ে তাঁর রাজ্যসভায় যাওয়ার কারণ নিয়ে মুখ খুললেন বাবুল। বললেন, “ডেরেক ও’ব্রায়েনকে বলেছিলাম, আমার গানের এটা সেরা সময়। ৫টা বছর ছেড়ে দেওয়া হোক।” সেজন্যই তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠানো হচ্ছে জানিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানালেন। একইসঙ্গে বললেন, বালিগঞ্জ থেকে এবার সরতে হবে, সেটা জানতেন। নিজের পরবর্তী কাজ নিয়ে বাবুল বলেন, “কেন্দ্রের মন্ত্রী হিসেবে রাজ্যসভায়ও আমার যাতায়াত ছিল। ওটা আমার চেনা জায়গা। রাজ্যসভায় গিয়ে রাজ্যের কথা তুলে ধরব।” 

এদিন ফের নিজের পুরনো দল বিজেপিকে নিশানা করলেন বাবুল। বললেন, “কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে ভালো কাজ করেছিলাম। স্বীকৃতি পাইনি। পিছন থেকে ছুরি মারা হয়। দুঃখ পেয়েছিলাম।” এদিন রাহুল সিনহার সঙ্গে হাত মেলানো নিয়ে তিনি বলেন, “এই সৌজন্যতা থাকা দরকার। মানসিকভাবে, ভেতর থেকে ০.০০ শতাংশও বিজেপির সঙ্গে নেই।”

আর প্রথমবার সংসদে পা রাখতে যাওয়া রাহুল সিনহাও নিজের পরবর্তী লক্ষ্য জানিয়ে দিলেন। বললেন, “অত্যন্ত ভালো লাগছে। আমি এতদিন রাজনৈতিক ক্ষেত্রেই কাজ করেছি। প্রথমবার সংসদীয় ক্ষেত্রে কাজ করার সুযোগ পেলাম। স্বাভাবিকভাবেই এটা নতুন ক্ষেত্র। তবে এটা রাজনীতিরই একটা অংশ। ফলে খুব বেশি সময় লাগবে না, এই ক্ষেত্রে অভ্যস্ত হতে। আমি যে নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে রাজনীতি ক্ষেত্রে কাজ করেছি, সংসদীয় ক্ষেত্রেও কাজ করতে পারব।”

এদিন তৃণমূলকেও নিশানা করেন রাহুল সিনহা। বলেন, “গ্রামের সাধারণ মহিলারাও বলছেন, বাবা পরিবর্তন নিয়ে তোমাদের ভাবতে হবে না। তোমরা শুধপু দেখো যেন ভোটটা দিতে পারি। আর গণনা ঠিকভাবে হয়। অর্থাৎ পরিবর্তন মানুষ করেই দিয়েছে।” রাহুল সিনহার সঙ্গে করমর্দন নিয়ে তিনি বলেন, “২০১৪ সালে ও তো হুগলিতে লড়তে চেয়েছিলাম। আমি আসানসোলে লড়তে বলি। ও তখন খুশি ছিলেন না। এখন তৃণমূলে গিয়ে কতটা খুশিতে আছে, সেটা আমি বলতে পারব না।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *