IPL: দমাতে পারেনি আর্থিক অনটন, IPL-এ সুযোগ পেয়েই রায়নার সৌমেনের নজরে এবার টিম ইন্ডিয়া - Bengali News | After getting a chance in IPL, Raina's Soumen is now dreaming of Team India - 24 Ghanta Bangla News
Home

IPL: দমাতে পারেনি আর্থিক অনটন, IPL-এ সুযোগ পেয়েই রায়নার সৌমেনের নজরে এবার টিম ইন্ডিয়া – Bengali News | After getting a chance in IPL, Raina’s Soumen is now dreaming of Team India

Spread the love

খুশির হাওয়া গোটা গ্রামেImage Credit: TV 9 Bangla

রায়না: এবার আইপিএল মাতাতে চলেছে বাংলার প্রত্যন্ত গ্রামের এক ট্রাক্টর চালকের ছেলে। পূর্ব বর্ধমান জেলার রায়না ব্লকের পলাশন অঞ্চলের বাঁশা গ্রামে বাড়ি সৌমেন চট্টোপাধ্যায়। তিনিই এবার খেলতে চলেছেন রাজস্থান রয়্যালসে। কলকাতার সুপার ডিভিশনের ক্লাব ডালহৌসির নিয়মিত বোলার সৌমেন। এখন আইপিএলে সুযোগ পাওয়ায় স্বভাবতই উচ্ছ্বসিত তাঁর সতীর্থরাও। উচ্ছ্বসিত সৌমেন নিজেও। খুশি প্রতিবেশীরাও। 

ছোট থেকেই ক্রিকেটের প্রতি গভীর অনুরাগ সৌমেনের। পরিবারে অনটন সত্ত্বেও স্বপ্নকে ধাওয়া করা কখনওই বন্ধ হয়নি। বাবা পেশায় ট্রাক্টর চালক। পুজোর কাজও করেন। মা গৃহবধূ। কিন্তু ছেলের স্বপ্নপূর্ণ বরবারই নিজের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করে গিয়েছেন মা-বাবা। প্রশিক্ষণের সময় বিভিন্ন জায়গা থেকে নিয়েছেন ঋণ। মা জমিয়েছেন লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা। একেবারে দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে আসা সৌমেনের এই সাফল্যে খুশির হাওয়া বইছে গোটা এলাকাজুড়েই। দীর্ঘদিনের কঠোর পরিশ্রম, নিয়মিত অনুশীলন এবং অদম্য মনোবলের জোরেই তিনি এই বড় মঞ্চে পৌঁছতে সক্ষম হয়েছেন বলেই মত প্রতিবেশীদের। গ্রামবাংলার সাধারণ পরিবেশ থেকে জাতীয় স্তরের এই প্রতিযোগিতায় সুযোগ পাওয়া নিঃসন্দেহে বড় সাফল্য বলেই মনে করছেন ক্রীড়ামহল।

তবে আইপিএলে সুযোগ পাওয়ার রাস্তাটা এতটাও সহজ ছিল না। সৌমেন বলছেন, “ভুবনেশ্বরে একটি ক্যাম্প হয়েছিল। সেখানেই আমি এই সুযোগ পেয়েছি। গতবার তিনজনকে নির্বাচন করা হয়েছিল। অল্পের জন্য আমি সুযোগ পাইনি। আমার বলের গতি তিন চার কিলোমিটার কম ছিল। এবারও তিনজনকে নেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে আমি একজন।” তবে সৌমেন চোখে শুধু আইপিএল নয়, “খেলতে চান ভারতীয় দলে। বলছেন, বোলার হয়ে সুযোগ পেয়ে অনেকেই আইপিএল খেলছে। দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছে। তাই আমিও যাতে সেই সুযোগ পাই সেই লক্ষ্যে পরিশ্রম করে যাব।” 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *