Bratya Basu on CISF: ‘স্কুলগুলো কি ধর্মশালা?…’, কেন্দ্রীয় বাহিনী আসার কথা শুনতেই শঙ্কাপ্রকাশ ব্রাত্যর – Bengali News | Ahead of Polls, 480 Companies of Central Forces to Arrive in Bengal; Row Erupts Over Use of Schools as Camps
কলকাতা: আগামিকাল থেকেই রাজ্য়ে দফায় দফায় চলে আসতে পারে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোটের বাংলায় মোট ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠাবে স্বরাষ্ট্র দফতর। যার মধ্য়ে আগামিকাল অর্থাৎ শুক্রবার চলে আসতে পারে ২৪০ কোম্পানি বাহিনী। কিন্তু কোথায় থাকবে তাঁর?
প্রতিবার ভোটের আগে এবং পরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর অস্থায়ী বাসস্থান নিয়ে তৈরি হয় বিতর্ক। কারণ, তাঁদের থাকার জায়গা বলতে একটি, রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলগুলি। যার জেরে কার্যত লাটে ওঠে পড়াশোনা। ভোটমুখী বাংলায় আবার সেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর আসার কথা শুনে কিছুটা ক্ষিপ্ত রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে কেন্দ্রকে খোঁচা দিলেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বললেন, “কেন্দ্রীয় সরকার যদি মনে করে থাকে, স্কুলগুলিই একমাত্র ধর্মশালা। যা থেকে তাদের স্কুলশিক্ষা নিয়ে দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট। কেন্দ্রের নিশ্চয়ই বাহিনীর থাকার ব্যবস্থা নিয়ে কোনও ভাবনা রয়েছে। কিন্তু সেই কারণে যদি এর জন্য রাজ্যের শিক্ষা ব্যাহত হোক, আমরা চাইব না।”
তবে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী স্কুলকে ধর্মশালা বলে অভিহিত করায় পাল্টা খোঁচা দিয়েছে বিজেপি। এদিন সজল ঘোষ টিভি৯ বাংলাকে বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনী চিরকাল স্কুল-কলেজে থাকত। উনি স্কুলকে ধর্মশালা বলছেন, এটা শুনতে খারাপ লাগে। কারণ ব্রাত্য বাবুর নির্দেশে ৮ হাজার ২০০ স্কুল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। স্কুলগুলো কি স্কুল রয়েছে? এখানে কি শিক্ষা রয়েছে?”
উল্লেখ্য, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হবে। তার আগে বাংলায় ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসার সম্ভবনা। বীরভূমে আসছে ৭ কোম্পানি, পুরুলিয়ায় ৫ কোম্পানি, কলকাতায় ১২ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ১২ কোম্পানি, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবনেই কেবল ৪ কোম্পানি বাহিনী, পূর্ব মেদিনীপুরে ১৪ কোম্পানি বাহিনী থাকবে।