Humayun Kabir: একাধিকবার বাবর মূর্দাবাদ বলতে রাজি আছি, আমার ওর প্রতি কোনও সহানুভূতি নেই: হুমায়ুন কবীর - Bengali News | I am willing to say Babar Murdabad more than once, I have no sympathy for him: Humayun Kabir - 24 Ghanta Bangla News
Home

Humayun Kabir: একাধিকবার বাবর মূর্দাবাদ বলতে রাজি আছি, আমার ওর প্রতি কোনও সহানুভূতি নেই: হুমায়ুন কবীর – Bengali News | I am willing to say Babar Murdabad more than once, I have no sympathy for him: Humayun Kabir

টিভি৯ বাংলায় হুমায়ুন কবীর Image Credit: TV 9 Bangla

কলকাতা: যে বাবরি মসজিদ নিয়ে এত বিতর্ক, এত হিন্দোল, দশকের পর দশক ধরে এত তোলপাড়, সেই নামই আবার কেন? তাও আবার বাংলার মুখে? হুমায়ুন কবীরের ঘোষণা থেকে শিলান্যাস, পদে পদে এই প্রশ্নটাই ঘুরেছে রাজনৈতিক মহলে। কেউ বলছেন রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা, আবার কেউ বলছেন মেরুকরণের আঁচে হাত স্যাঁকার চেষ্টা। কিন্তু লোকে যে যাই বলুক ভরতপুরের বিদ্রোহী হুমায়ুন যে আছেন হুমায়ুনেই তা আর একবার স্পষ্ট হয়ে গেল। টিভি৯ বাংলার ম্যানেজিং এডিটর অমৃতাংশু ভট্টাচার্যের সঙ্গে বিশেষ সাক্ষাৎকারে এসে স্পষ্টই বললেন, বাবরি ছাড়া অন্য কোনও নাম রাখা হলে কোনও সাপোর্টই পাওয়া যেত না। মানুষের মনের কথা বুঝেই তিনি শেষ পর্যন্ত বাংলার বুকে ভোটের বাজারে নতুন এই মসজিদের নাম বাবরি রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আর এই ক্ষেত্রে তাঁকে কেউই আটকাতে পারে না। 

তবে শুধু মসজিদ নয়, হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয় সবই রয়েছে হুমায়ুনের খাতায়। অকপটেই বললেন, “মেডিকেল কলেজ করব, বিশ্ববিদ্যালয় করব, ৫০০ বেডের হাসপাতাল করব, ফাইভ স্টার আদলের একটা বড় হোটেল করব।” তিনি মুখে এ কথা বললেও বাংলা দেখল সবার আগে মসজিদেই মজল হুমায়ুনের মন। সামালোচকদের বাড়া ভাতে ছাই দিয়ে হুমায়ুন যদিও বলছেন, “আমি ভেবেছিলাম ১০০ মুসলমানের মধ্যে ৩০-৪০ মুসলমানের সমর্থন পাব। কিন্তু মুর্শিদাবাদে এখন ১০০ জনের মধ্যে ৮০ জন প্রকৃত মুসলমান হুমায়ুনকে সমর্থন করছেন। এটা দেখে আমি নিজেই অবাক হয়ে গিয়েছি। ওটা বাবরির বদলে অন্য নাম হলে থাকতো না। অনেকে আমাকে সাজেস্ট করেছেন কেন এপিজে আব্দুল কালামের নামে রাখা যেতে পারতো। কিন্তু বাবরি ছাড়া অন্য কোনও নাম রাখা হলে কোনও সাপোর্টই পাওয়া যেত না। বুঝতে হবে মানুষের মনের ভিতরের কথা।”

একইসঙ্গে বাবরের প্রতি, বাবরের জন্য যে তাঁর মনে আলাদা করে কোনও আবেগের জায়গা নেই তাও বুঝিয়ে দিলেন এই বিশেষ সাক্ষাৎকারে। কিন্তু তারপরেও বারবার শোনা গেল মুসলিম-আবেগের কথা। বারবার উঠে এল বাবরি ধ্বংসের প্রসঙ্গ। দ্বার্থ্যহীন ভাষাতেই বললেন, “৪৬৪ বছর আগে বাবর কোথায় ভারত শাসন করেছে, বা যে সময় ভারতের কোনও মহিলার উপর নির্যাতন করেছে তখন তো আমরা কেউ ছিলাম না পৃথিবীতে। আমার বাবরের প্রতি কোনও সহানুভূতি নেই। বাবারকে নিয়ে আমার কোনও কিছু বলার নেই। আমি একাধিকবার বাবর মূর্দাবাদ বলতে রাজি আছি।” এরপরই খানিক ক্ষোভের সঙ্গেই বললেন, “কিন্তু বাবরের প্রধান সেনাপতি মীর বাকি যে বাবরি মসজিদ বাবরের নির্দেশে স্থাপন করা হয়েছিল। এই জায়গাটায় মুসলিমদের একটা আবেগ রয়েছে।” 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *