Canning: রাসায়নিক ভর্তি ড্রামে বিস্ফোরণ, ঝলসে গেল ৪ শিশু, অসহ্য যন্ত্রণায় জলে ঝাঁপ এক জনের - Bengali News | Drum filled with chemical blast in Canning, 4 children injured - 24 Ghanta Bangla News
Home

Canning: রাসায়নিক ভর্তি ড্রামে বিস্ফোরণ, ঝলসে গেল ৪ শিশু, অসহ্য যন্ত্রণায় জলে ঝাঁপ এক জনের – Bengali News | Drum filled with chemical blast in Canning, 4 children injured

Spread the love

রাসায়নিক ভরা ড্রামে দগ্ধ হয়েছে ৪ নাবালকImage Credit: TV9 Bangla

ক্যানিং: রাস্তার ধারে খেলছিল তারা। আচমকা পাশে রাখা রাসায়নিক ভরা ড্রামে বিস্ফোরণ। বিস্ফোরণের জেরে আগুনে দগ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হল চার নাবালক। অসহ্য যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে পাশের পুকুরে ঝাঁপ দেয় এক নাবালক। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে। আহত নাবালকদের মধ্যে ৩ জনকে কলকাতার এমআর বাঙুর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।  

ক্যানিং পূর্ব বিধানসভার ঘটকপুকুর থেকে মধ্য খড়গাছি পর্যন্ত ৭ কিলোমিটার পিচ রাস্তার মেরামতির কাজ চলছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কয়েক দিন আগে শুরু হয়েছে রাস্তা সংস্কারের কাজ। মঙ্গলবার ওই রাস্তায় প্রায় ২০০ লিটার লাইট ডিজেল অয়েল (এলডিও) বোঝাই একটি ড্রাম পড়ে ছিল। ড্রামের পাশেই খেলছিল ৮ থেকে ১০ বছর বয়সী চার পড়ুয়া। হঠাৎই বিকট শব্দে ফেটে যায় ড্রামটি। বিস্ফোরণের তীব্রতায় একজন শিশু মারাত্মকভাবে ঝলসে যায়। বাকি তিনজনও কমবেশি দগ্ধ ও আহত হয়। দহনযন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে এক নাবালক পাশের পুকুরে ঝাঁপ দেয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, আহত শিশুদের নাম সাদিকুল মোল্লা, সামিউল মোল্লা, রায়হান মোল্লা এবং রিয়াজ হাসান মোল্লা। চারজনই স্থানীয় খড়গাছি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র। দুর্ঘটনার পরই স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধার করে তাদের নলমুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। তিনজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁদের কলকাতার এমআর বাঙুর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সাদিকুলের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।

ঘটনার খবর পেয়ে ভাঙড় ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনার সৈকত ঘোষ এবং ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দেন শওকত।

ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। বিস্ফোরণের কারণ খতিয়ে দেখতে কলকাতা পুলিশের বম্ব স্কোয়াড ও ডগ স্কোয়াডও ঘটনাস্থল ঘুরে দেখে। রাস্তা মেরামতির কাজে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল কি না, দাহ্য পদার্থ খোলা রাস্তায় কেন ফেলে রাখা হয়েছিল—তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা। শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ ছড়িয়েছে এলাকায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *