Birbhum: বিজেপি নেতার বাড়িতে সাদা থান, ফুল-মিষ্টি; ‘হুমকি রাজনীতি’ কেষ্ট-কাজলের বীরভূমে – Bengali News | A BJP leader found widow attire in front of his house in Birbhum
সাদা থান, ফুল-মিষ্টি পাঠিয়ে কী বার্তা দেওয়া হল বিজেপি নেতাকে?Image Credit: TV9 Bangla
বীরভূম: বাড়ির দরজার সামনে সাদা থান রাখা। বাম আমলে বিরোধীদের ‘ভয় দেখাতে’ এমন সাদা থান রাখার অভিযোগ প্রায়ই উঠত। আবার তৃণমূলের আমলের চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের সময় উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহে বিজেপির বুথ এজেন্টের বাড়ির সামনেও কারা রেখে গিয়েছিল সাদা থান। আর কিছুদিনের মধ্যেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে ‘হুমকি রাজনীতি’ বীরভূমে। এক বিজেপি নেতার বাড়ির দরজায় কারা রেখে গিয়েছে সাদা থান, ফুল-মিষ্টি-ধূপ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে নানুর বিধানসভার থুপসারা অঞ্চলের কুরগ্রামে।
অভিযোগ, বিজেপির কুরগ্রাম মণ্ডল সভাপতি রামকৃষ্ণ মণ্ডলের বাড়ির সামনে মেন গেটে অজ্ঞাতপরিচয় কেউ সাদা থান রেখে যায়। এদিন সকালে বাড়ির মেন গেট খুলতেই একটি ব্যাগ দেখতে পান পরিবারের লোকজন। ওই ব্যাগে সাদা থানের পাশাপাশি ছিল ধূপ, মিষ্টি, ফুল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপির পক্ষ থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে। বিজেপি নেতাদের দাবি, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এলাকায় বিজেপির প্রভাব খর্ব করতে এবং কর্মীদের ভয় দেখাতেই তৃণমূলের কর্মীরা পরিকল্পিতভাবে এই কাজ করেছে। তাদের বক্তব্য, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করাই এর মূল লক্ষ্য।
ঘটনাটি নিয়ে রামকৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, “আমি বিজেপির মণ্ডল সভাপতি। হয়ত আতঙ্ক ধরাতে কিংবা আমাকে দমাতে এটা রেখে গিয়েছে। আমাকে ভয় দেখাতে চাইছে। যাতে আমি বিজেপি না করি। কে করেছে বলতে পারব না। তবে এভাবে বিজেপি কর্মীদের দমানো যাবে না। তৃণমূলের পরাজয় নিশ্চিত। সেই জন্য ভয় পেয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। বাড়ির লোক কিছুটা চিন্তিত।” খবর পেয়ে তাঁদের বাড়িতে আসে নানুর থানার পুলিশ। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
তবে বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন তৃণমূল নেতা তথা বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ। তিনি বলেন, “নানুর বিধানসভায় বিজেপি আছে বলে মনে হয়? বছরে কোনওদিন বিজেপির ওখানে কর্মসূচি হয়? বিজেপির টিআরপি বাড়ানোর জন্য এটা করা হয়েছে বলে মনে হয়। এই সব রীতি রেওয়াজ ছিল ২০১১ সালের আগে। বাম জমানায় হার্মাদরা এসব করত। এখন নানুর বিধানসভায় যদি বিজেপির দু-চারজন কেউ থেকে থাকেন, তাঁরা সেই বামফ্রন্টের হার্মাদদের অংশ। তাঁরা পুনরায় নানুরে কাটাকাটি, খুনোখুনির রাজনীতি করতে চাইছে। নানুরে তা হবে না। এইসব কৌশল করে কিছু লাভ হবে না।”