Ghatal: ‘এলাকার গর্ব’ বলেই খালাস নেতারা, হাজার টাকা ভাতা ছাড়া আর কিছুই জোটে না ১০০ শতাংশ প্রতিবন্ধী মুজিবুর – Bengali News | This specially abled person not getting any govt help, waits for Yuba Sathi
ঘাটাল: ভোটের মুখে একগুচ্ছ ভাতা বাড়িয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। কিন্তু বাড়েনি প্রতিবন্ধী ভাতা। ওই ১০০০ টাকা ছাড়া আর কিছুই জোটে না! ‘যুব সাথী’-র লাইনে দাঁড়িয়ে এমনই অভিযোগ মুজিবুর সরকার ও তাঁর পরিবারের। পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনার বাসিন্দা ওই যুবক ১০০ শতাংশ প্রতিবন্ধী। স্নাতক উত্তীর্ণ হওয়ার পর বর্তমানে বিএড পড়ছেন তিনি। তাঁর পরিবারের দাবি, সরকারি কোনও সাহায্যই পাচ্ছেন না মুজিবুর। সে কথা স্বীকারও করে নিচ্ছেন তৃণমূল নেতারা।
মুজিবুর সরকার বাবার কোলে চড়ে, বাবার মোটরবাইকে চেপে বাড়ি থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে পৌঁছেছেন ‘যুব সাথী’ প্রকল্পের ফর্ম ফিল আপ করতে। বর্তমানে মুজিবুর বিএড করছেন। উচ্চমাধ্যমিকে ৭৬ শতাংশ, মাধ্যমিকে ৫৪ শতাংশ নম্বর পেয়েছিলেন তিনি। গ্র্যাজুয়েশনে ৫২ শতাংশ নম্বর পান। মুজিবুরের আক্ষেপ, মেনেনি সরকারি বাড়িও। তীব্র ক্ষোভ মুজিবুরের গলায়। আর প্রতিবন্ধী ভাতা হিসেবে যে ১০০০ টাকা পান, তাতে পড়াশোনা, সংসার কিছুই চলে না বলে স্বীকার করেছেন মুজিবুর।
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার চন্দ্রকোনা ২ নম্বর ব্লকের ভগবন্তপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দা মুজিবুর দরিদ্র কৃষক পরিবারের সন্তান। তবে মুজিবুরের ঘটনার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান আশরাফুল আলি। তিনি বলেন, “ও আমাদের এলাকার গর্ব। সার্ভে অনুযায়ী সবাইকেই তো বাড়ি দেওয়া হচ্ছে। অবশ্যই উনি বাড়ি পাওয়ার যোগ্য। আমরা বলেছি সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর নম্বরে যোগাযোগ করতে।”
উল্লেখ্য, এবারের রাজ্য বাজেটে ‘যুব সাথী’ প্রকল্পের নামে বেকার ভাতা দেওয়ার ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। মাধ্যমিক পাশ করা যুবক, যাঁরা চাকরি করেন না, তাঁদের এই ভাতা দেওয়া হচ্ছে। ২১ থেকে ৪০ বছর পর্যন্ত দেওয়া হচ্ছে ভাতা।