Howrah: 'ভারতীয় নয়', এই বলেই পরপর নোটিস যাচ্ছে হাওড়ার বাসিন্দাদের কাছে! - Bengali News | Many people from Howrah getting notice being non indian citizen, raised controversy - 24 Ghanta Bangla News
Home

Howrah: ‘ভারতীয় নয়’, এই বলেই পরপর নোটিস যাচ্ছে হাওড়ার বাসিন্দাদের কাছে! – Bengali News | Many people from Howrah getting notice being non indian citizen, raised controversy

Spread the love

হাওড়া: ভারতীয় নাগরিক নয়, এই মর্মে মধ্য হাওড়ায় প্রচুর মানুষকে নির্বাচন কমিশনের নোটিস। যে নোটিসে অভিযোগকারীর সঠিক পরিচয় নেই। আর তাই নিয়ে সিপিএমের আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে তৃণমূলের মধ্য হাওড়ার সহ সভাপতি সুশোভন চট্টোপাধ্যায়ের তুমুল কাজিয়া।

ভূতুড়ে ভোটারের পর এবার ভূতুড়ে অভিযোগকারী! মধ্য হাওড়া বিধানসভা কেন্দ্রে প্রায় দু’হাজার মানুষের কাছে আসে এসআইআর শুনানি কেন্দ্রে যাওয়ার আসার নোটিস যায়। কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘নন ইন্ডিয়ান সিটিজেন’। আর অভিযোগকারী হিসেবে যেখানে ডিটেইল নাম ঠিকানা থাকার কথা সেখানে শুধু নাম আর ঠিকানা ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল’ দেখানো হয়েছে। এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়।

নোটিস পেয়ে সবাই শুনানিকেন্দ্রে হাজির হন। তাঁদের তথ্য যাচাই করা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। এই ঘটনা কেন ঘটল, তা জানতে কয়েকদিন আগে শুনানিকেন্দ্রে যান সিপিআই নেতা ও আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়। হাজির হন তৃণমূল নেতাও। দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। পরে সাংবাদিক সম্মেলন করে সিপিএম নেতৃত্ব। সব্যসাচীর অভিযোগ, এই ধরনের নোটিস শাসকদল চক্রান্ত করে পাঠাচ্ছে। মানুষকে আতঙ্কে ফেলে আবার তাদের পাশে দাঁড়িয়ে দেখাতে চাইছে তারা সঙ্গে আছে, বদনাম করতে চাইছে বামেদের।

এই বিষয়ে সর্বোচ্চ আদালতে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হবে বলেও তিনি জানান। অন্যদিকে বামেদের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। মধ্য হাওড়ার তৃণমূল কংগ্রেসের সহ সভাপতি সুশোভন চট্টোধ্যায় বলেন, “সিপিএম ও বিজেপি একসঙ্গে এসব করছে, বিভ্রান্ত করতে চাইছে মানুষকে। এসআইআর নিয়ে হয়রানির প্রতিবাদ করতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেছেন।”

মধ্য হাওড়ার বাসিন্দা আলি আসগর জানান, তাঁর কাছে হঠাৎ নন ইন্ডিয়ান সিটিজেন তকমা দিয়ে নোটিস যায়। তিনি জেলার মুখ্য নির্বাচনী অধিকারিককে ফোন করে বিষয়টি জানান। পাশাপাশি দাবি করেন যারা এই ধরনের কাজ করছে, সেই সব কালপ্রিটদের খুঁজে বের করে শাস্তি দেওয়া হোক। ভূতুড়ে অভিযোগকারীদের খুঁজে বের করতে পারবে নির্বাচন কমিশন? সেই উত্তর খুঁজছেন এলাকার বাসিন্দারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *