Prashant Kishore in Supreme Court: ‘মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে, তাই প্রচারে থাকতে এখানে এসেছেন?’ পিকে-কে কড়া কথা শোনাল সুপ্রিম কোর্ট – Bengali News | “People Have Rejected You, Now You Seek Publicity”: CJI Slams Prashant Kishor’s Jan Suraaj
নয়াদিল্লি: বিহারের নির্বাচন বাতিল করতে চেয়ে দেশের শীর্ষ আদালতে দ্বারস্থ হয়েছিলেন প্রাক্তন ভোটকুশলী তথা জন সুরাজ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রশান্ত কিশোর। কিন্তু সেই ‘রাজনীতি বোঝা’ পিকের কোনও কথাই শুনল না সুপ্রিম কোর্ট। উল্টে প্রধান বিচারপতির কাছে ভর্ৎসনার সম্মুখীন হলেন তিনি। বিহারের নির্বাচনে পিকের দলের শোচনীয় ফলাফলের কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন প্রধান বিচারপতি।
বৃহস্পতিবার দেশের শীর্ষ আদালতের কাছে বিহারের বিধানসভা নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ভোট বাতিলের আর্জি জানিয়েছিল প্রশান্ত কিশোরের দল। নতুন করে নির্বাচন করার আর্জিও জানায় তাঁরা। শুক্রবার ছিল মামলার শুনানি। কিন্তু পিকের আইনজীবীর কোনও কথা শুনতেই রাজি হলেন না প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ। আবেদন খারিজ করে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, “আপনার দল কতগুলি ভোট পেয়েছে? মানুষ আপনাদের প্রত্যাখ্য়ান করেছে। আর আপনারা আদালতকে ব্যবহার করে প্রচারের আলোতে আসতে চাইছেন?”
অন্যদিকে বিচারপতি জয়মাল্য় বাগচী বলেন, “আপনি কীভাবে এই দাবি করছেন? আপনি যদি ক্ষমতায় থাকতেন, নিজেও একই কাজ করতেন।” এরপরেই পিকের দলের আর্জি খারিজ করে বিহার হাইকোর্টে দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শ দেয় বেঞ্চ। প্রধান বিচারপতি বলেন, “কেন হাই কোর্টে গেলেন না? রাজ্যে তো একটি হাই কোর্ট রয়েছে। সেখানে যান।”
কী অভিযোগ ছিল পিকের?
৩২ নম্বর ধারার অধীনে মামলা দায়ের করে মুখ্যমন্ত্রী মহিলা রোজগার যোজনায় নতুন উপভোক্তাদের সংযোজন এবং আদর্শ আচরণবিধি লাগু থাকা সত্ত্বেও ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক ভাতা প্রদানকে ‘অনৈতিক’ বলে শীর্ষ আদালতে দ্বারস্থ হয়েছিল পিকের দল। তাঁদের দাবি ছিল, বিহার সরকার সংবিধানের ১৪, ২১, ১১২, ২০২ এবং ৩২৪নং ধারা লঙ্ঘন করেছে। তাই নির্বাচন কমিশনের উচিত তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা। পাশাপাশি, গোটা নির্বাচনটাকে বাতিল করে দেওয়া।